লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিল্পে নতুন গ্যাস সংযোগ আপাতত বন্ধ ঘোষণা করল সরকার

দেশে প্রতিবছর গ্যাসের গড় উৎপাদন দিনে ১৫ কোটি ঘনফুটের বেশি হারে কমছে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করেও এই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কোনো কারণে আমদানি ব্যাহত হলেই গ্যাসের সংকট প্রকট আকার ধারণ করছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদনে। এমন পরিস্থিতিতে শিল্পে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় গত ১৪ জুলাই বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন কমছে। অন্যদিকে দুটি এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) ভিত্তিক এলএনজি আমদানি সীমাবদ্ধ থাকায় এ মুহূর্তে শিল্পে নতুন করে গ্যাস-সংযোগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে না। কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান এমন দুটি টার্মিনাল আছে। এ দুটি মিলে গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ১১০ কোটি ঘনফুট। সর্বোচ্চ সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এখন সরবরাহ হচ্ছে ৫০ কোটি ঘনফুটের কম। এতে এক সপ্তাহ ধরে দেশের সব খাতেই গ্যাসের সংকট বেড়ে গেছে।

শিল্পকারখানায় গ্যাস-সংযোগ না দেওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। গ্যাস–সংকটের কারণে ২০০৯ সালের ২১ জুলাই থেকে শিল্প ও বাণিজ্যিক এবং ২০১০ সালের ১৩ জুলাই থেকে আবাসিক গ্রাহকদের নতুন সংযোগ দেওয়া বন্ধ করা হয়েছিল। এরপর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যারা কিছু কারখানায় সংযোগ দিলেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। পরবর্তী সময়ে ওই কমিটি বাতিল করে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কিছু সংযোগ দেওয়া হয়। এদিকে অনুমোদিত আবেদনের অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করতে অন্তর্বর্তী সরকার একটি কমিটি গঠন করে তিতাস গ্যাসের ২৫টি সংযোগ অনুমোদন করেছিল, পরে সেই কমিটিও বাতিল করা হয়। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৭ মে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সভাপতিত্বে বৈঠকে শিল্পে গ্যাসের সংযোগ নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, প্রতি সপ্তাহে বা প্রতিদিন দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে। নতুন কূপ খনন করেও উৎপাদন ধরে রাখা যাচ্ছে না। এক দশকের ব্যবধানে দেশে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন কমেছে ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি। ২০১৭ সালে দিনে ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে। ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয় এলএনজি আমদানি। এখন আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন মিলে দিনে সর্বোচ্চ ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা যায়। অবকাঠামো না থাকায় আমদানি বাড়ানোর সুযোগ নেই।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, শিল্পে সংযোগ না দেওয়ার বিষয়টি সাময়িক। সরকার দ্রুত গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে একাধিক বিকল্প নিয়ে কাজ করছে। ভোলার গ্যাস ঢাকায় আনার প্রক্রিয়া এবং মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আনার আলোচনা চলছে। গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির পর অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করে সংযোগ দেওয়া হবে। যাঁরা অনুমোদন নিয়ে ডিমান্ড নোটের টাকা জমা দিয়েছেন, তাঁরা অবশ্যই আগে বিবেচনায় থাকবেন।

জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এক বছরে সরবরাহ বাড়ানো যাবে না। নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলেও উৎপাদনে কয়েক বছর লাগতে পারে। আর আমদানি বাড়াতে অবকাঠামো তৈরি করতে অন্তত দেড় বছর লাগতে পারে। জ্বালানি বিভাগের দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গ্যাসের অভাবে অর্ধেকের বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে থাকে এবং সার কারখানা বছরের অধিকাংশ সময় উৎপাদন বন্ধ রাখে। নতুন সংযোগ দিলেও গ্যাস সরবরাহের নিশ্চয়তা নেই। এক জায়গায় গ্যাস দিলে আরেক জায়গায় বন্ধ করে দিতে হবে, যা সমাধান নয়।

মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আনা নিয়ে বৈঠকের তথ্য অনুযায়ী, আইএসও ট্যাংকের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করতে এক বছর লাগবে। এরপর দিনে সরবরাহ করা যাবে মাত্র ১ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুট, যা একটি বড় শিল্পকারখানার চাহিদাও মেটাতে পারবে না এবং খরচও বেশি পড়বে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম বলেন, সরবরাহ বাড়িয়ে হলেও সংযোগ দিতে হবে। স্বল্প মেয়াদে সরবরাহ বাড়াতে আমদানির বিকল্প নেই। দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি বাড়ানোর অবকাঠামো দরকার। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এলএনজি টার্মিনালের চুক্তি বাতিল করা ঠিক হয়নি।

পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দেশে গ্যাসের ১১ শতাংশ ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালি রান্নার কাজে, ৪১ শতাংশ বিদ্যুৎ খাতে, ৩৬ শতাংশ শিল্পে, ৬ শতাংশ সারে, ৫ শতাংশ সিএনজি খাতে ও ১ শতাংশ চা খাতে। প্রতিশ্রুত সংযোগগুলো দেওয়া হলে আরও ৩৫ কোটি ঘনফুটের মতো গ্যাসের প্রয়োজন হবে, যার সংস্থান আপাতত নেই। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুসন্ধানের তুলনায় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে সফলতার হার বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি হলেও যথাযথ অনুসন্ধান করা হয়নি। সমুদ্রসীমা বিজয়ের ১৪ বছর পরও বঙ্গোপসাগরে তেল–গ্যাস আবিষ্কার করা যায়নি। সরকার ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে এবং নতুন ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের দরপত্র আহ্বানের কার্যক্রম শুরু করেছে।

এ দুটি পাইপলাইন দিয়ে ১৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরীপুরে শতবর্ষী আর কে স্কুল ভবন রক্ষায় মতবিনিময় সভা

শিল্পে নতুন গ্যাস সংযোগ আপাতত বন্ধ ঘোষণা করল সরকার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দেশে প্রতিবছর গ্যাসের গড় উৎপাদন দিনে ১৫ কোটি ঘনফুটের বেশি হারে কমছে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করেও এই ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কোনো কারণে আমদানি ব্যাহত হলেই গ্যাসের সংকট প্রকট আকার ধারণ করছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদনে। এমন পরিস্থিতিতে শিল্পে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় গত ১৪ জুলাই বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন কমছে। অন্যদিকে দুটি এফএসআরইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) ভিত্তিক এলএনজি আমদানি সীমাবদ্ধ থাকায় এ মুহূর্তে শিল্পে নতুন করে গ্যাস-সংযোগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে না। কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান এমন দুটি টার্মিনাল আছে। এ দুটি মিলে গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ১১০ কোটি ঘনফুট। সর্বোচ্চ সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এখন সরবরাহ হচ্ছে ৫০ কোটি ঘনফুটের কম। এতে এক সপ্তাহ ধরে দেশের সব খাতেই গ্যাসের সংকট বেড়ে গেছে।

শিল্পকারখানায় গ্যাস-সংযোগ না দেওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। গ্যাস–সংকটের কারণে ২০০৯ সালের ২১ জুলাই থেকে শিল্প ও বাণিজ্যিক এবং ২০১০ সালের ১৩ জুলাই থেকে আবাসিক গ্রাহকদের নতুন সংযোগ দেওয়া বন্ধ করা হয়েছিল। এরপর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যারা কিছু কারখানায় সংযোগ দিলেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। পরবর্তী সময়ে ওই কমিটি বাতিল করে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কিছু সংযোগ দেওয়া হয়। এদিকে অনুমোদিত আবেদনের অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করতে অন্তর্বর্তী সরকার একটি কমিটি গঠন করে তিতাস গ্যাসের ২৫টি সংযোগ অনুমোদন করেছিল, পরে সেই কমিটিও বাতিল করা হয়। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৭ মে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সভাপতিত্বে বৈঠকে শিল্পে গ্যাসের সংযোগ নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, প্রতি সপ্তাহে বা প্রতিদিন দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে। নতুন কূপ খনন করেও উৎপাদন ধরে রাখা যাচ্ছে না। এক দশকের ব্যবধানে দেশে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন কমেছে ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি। ২০১৭ সালে দিনে ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে। ২০১৮ সাল থেকে শুরু হয় এলএনজি আমদানি। এখন আমদানি ও দেশীয় উৎপাদন মিলে দিনে সর্বোচ্চ ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা যায়। অবকাঠামো না থাকায় আমদানি বাড়ানোর সুযোগ নেই।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, শিল্পে সংযোগ না দেওয়ার বিষয়টি সাময়িক। সরকার দ্রুত গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে একাধিক বিকল্প নিয়ে কাজ করছে। ভোলার গ্যাস ঢাকায় আনার প্রক্রিয়া এবং মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আনার আলোচনা চলছে। গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির পর অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করে সংযোগ দেওয়া হবে। যাঁরা অনুমোদন নিয়ে ডিমান্ড নোটের টাকা জমা দিয়েছেন, তাঁরা অবশ্যই আগে বিবেচনায় থাকবেন।

জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এক বছরে সরবরাহ বাড়ানো যাবে না। নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলেও উৎপাদনে কয়েক বছর লাগতে পারে। আর আমদানি বাড়াতে অবকাঠামো তৈরি করতে অন্তত দেড় বছর লাগতে পারে। জ্বালানি বিভাগের দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গ্যাসের অভাবে অর্ধেকের বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে থাকে এবং সার কারখানা বছরের অধিকাংশ সময় উৎপাদন বন্ধ রাখে। নতুন সংযোগ দিলেও গ্যাস সরবরাহের নিশ্চয়তা নেই। এক জায়গায় গ্যাস দিলে আরেক জায়গায় বন্ধ করে দিতে হবে, যা সমাধান নয়।

মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আনা নিয়ে বৈঠকের তথ্য অনুযায়ী, আইএসও ট্যাংকের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করতে এক বছর লাগবে। এরপর দিনে সরবরাহ করা যাবে মাত্র ১ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুট, যা একটি বড় শিল্পকারখানার চাহিদাও মেটাতে পারবে না এবং খরচও বেশি পড়বে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম বলেন, সরবরাহ বাড়িয়ে হলেও সংযোগ দিতে হবে। স্বল্প মেয়াদে সরবরাহ বাড়াতে আমদানির বিকল্প নেই। দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি বাড়ানোর অবকাঠামো দরকার। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এলএনজি টার্মিনালের চুক্তি বাতিল করা ঠিক হয়নি।

পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দেশে গ্যাসের ১১ শতাংশ ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালি রান্নার কাজে, ৪১ শতাংশ বিদ্যুৎ খাতে, ৩৬ শতাংশ শিল্পে, ৬ শতাংশ সারে, ৫ শতাংশ সিএনজি খাতে ও ১ শতাংশ চা খাতে। প্রতিশ্রুত সংযোগগুলো দেওয়া হলে আরও ৩৫ কোটি ঘনফুটের মতো গ্যাসের প্রয়োজন হবে, যার সংস্থান আপাতত নেই। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুসন্ধানের তুলনায় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে সফলতার হার বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি হলেও যথাযথ অনুসন্ধান করা হয়নি। সমুদ্রসীমা বিজয়ের ১৪ বছর পরও বঙ্গোপসাগরে তেল–গ্যাস আবিষ্কার করা যায়নি। সরকার ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে এবং নতুন ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের দরপত্র আহ্বানের কার্যক্রম শুরু করেছে।

এ দুটি পাইপলাইন দিয়ে ১৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যাবে।