লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাতিয়ায় এক ট্রলারে ৬০ মণ ইলিশ, নিলামে ২০ লাখ টাকা

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে একটি ট্রলারে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মাছ নিয়ে ট্রলারটি চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরে আসে। এরপর মাছগুলো সাইফুল মৎস্য আড়তে তিন ধাপে নিলামে তোলা হয় এবং প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

ট্রলারটির মাঝি আব্দুর রহিম ১৮ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে ছয় দিন আগে সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলার পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে মাছ নিয়ে তারা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে পৌঁছান। ঘাটে পৌঁছানোর পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ দেখে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। পরে মাছগুলো আড়তে নিয়ে নিলামে তোলা হলে ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতা করে দর হাঁকান। তিন ধাপে নিলাম শেষে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

ট্রলারের মাঝি আব্দুর রহিম বলেন, ‘সাগরে ছয় দিন থাকার পর একসঙ্গে এত ইলিশ পেয়েছি। মাছ ভালো পাওয়ায় আমরা সবাই খুব খুশি।’ দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার খরচ ও শ্রমের পর ভালো পরিমাণ মাছ পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলেও তিনি জানান।

সাইফুল মৎস্য আড়তের মালিক সাইফুল ইসলাম বলেন, সকালে ট্রলারটি ঘাটে আসার পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায়। মাছগুলো তিন ধাপে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে এবং প্রায় ৬০ মণ ইলিশের দাম উঠেছে প্রায় ২০ লাখ টাকা।

চেয়ারম্যান ঘাটের ব্যবসায়ী মো. আকবর হোসেন বলেন, একসঙ্গে এত ইলিশ আসায় ঘাটে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জেলেদের পাশাপাশি আড়তদার ও ব্যবসায়ীরাও এতে উপকৃত হবেন। সাগরে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে ব্যবসায়ও গতি আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, এ সময়ে বঙ্গোপসাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন। একটি ট্রলারে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ পাওয়ার ঘটনা আনন্দের। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে সরকারি নির্দেশনা মেনে মাছ ধরার পাশাপাশি জাটকা সংরক্ষণ এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকের তথ্য পুলিশকে দেওয়ার দায়িত্ব জনগণের: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

হাতিয়ায় এক ট্রলারে ৬০ মণ ইলিশ, নিলামে ২০ লাখ টাকা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে একটি ট্রলারে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মাছ নিয়ে ট্রলারটি চেয়ারম্যান ঘাটে ফিরে আসে। এরপর মাছগুলো সাইফুল মৎস্য আড়তে তিন ধাপে নিলামে তোলা হয় এবং প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

ট্রলারটির মাঝি আব্দুর রহিম ১৮ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে ছয় দিন আগে সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলার পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে মাছ নিয়ে তারা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে পৌঁছান। ঘাটে পৌঁছানোর পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ দেখে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। পরে মাছগুলো আড়তে নিয়ে নিলামে তোলা হলে ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতা করে দর হাঁকান। তিন ধাপে নিলাম শেষে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

ট্রলারের মাঝি আব্দুর রহিম বলেন, ‘সাগরে ছয় দিন থাকার পর একসঙ্গে এত ইলিশ পেয়েছি। মাছ ভালো পাওয়ায় আমরা সবাই খুব খুশি।’ দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার খরচ ও শ্রমের পর ভালো পরিমাণ মাছ পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলেও তিনি জানান।

সাইফুল মৎস্য আড়তের মালিক সাইফুল ইসলাম বলেন, সকালে ট্রলারটি ঘাটে আসার পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায়। মাছগুলো তিন ধাপে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে এবং প্রায় ৬০ মণ ইলিশের দাম উঠেছে প্রায় ২০ লাখ টাকা।

চেয়ারম্যান ঘাটের ব্যবসায়ী মো. আকবর হোসেন বলেন, একসঙ্গে এত ইলিশ আসায় ঘাটে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জেলেদের পাশাপাশি আড়তদার ও ব্যবসায়ীরাও এতে উপকৃত হবেন। সাগরে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে ব্যবসায়ও গতি আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, এ সময়ে বঙ্গোপসাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা ভালো থাকায় জেলেরা আশানুরূপ মাছ পাচ্ছেন। একটি ট্রলারে প্রায় ৬০ মণ ইলিশ পাওয়ার ঘটনা আনন্দের। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে সরকারি নির্দেশনা মেনে মাছ ধরার পাশাপাশি জাটকা সংরক্ষণ এবং নিষেধাজ্ঞার সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জরুরি।