লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুলের অকালপক্বতা রোধে কার্যকর হতে পারে এই ৫ ভেষজ তেল

বর্তমান সময়ে জিনগত সমস্যা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দূষণ, ধূমপান এবং অপুষ্টির কারণে অনেকেরই অকালে চুল পাকার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার চুল পেকে গেলে প্রাকৃতিক উপায়ে রং পুরোপুরি ফিরিয়ে আনা কঠিন হলেও, বিশেষ কিছু ভেষজ তেল মাথার ত্বকের পুষ্টি জোগাতে এবং অকালপক্বতার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। ‘ডার্মাটোলজিক থেরাপি’ জার্নালের একটি পর্যালোচনা অনুযায়ী, অকালপক্বতা রোধে ভেষজ উপাদানের সম্ভাবনা থাকলেও এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

চুলের যত্নে আমলকি ও নারকেল তেলের মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকর। আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি, পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা চুলের গোড়া মজবুত রাখে। একইভাবে, কারিপাতায় বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তিলের তেলের সাথে ফুটিয়ে ব্যবহার করলে তা মাথার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

আয়ুর্বেদে কেশুতকে চুলের পরিচর্যার অন্যতম সেরা ভেষজ হিসেবে মানা হয়। কেশুতের রস বা গুঁড়ো নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে একবার ম্যাসাজ করলে চুলের গোড়া মজবুত হয়। এছাড়া জবা ফুলের প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড চুলকে পরিবেশগত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এর সাথে কাঠবাদামের তেল, যা ভিটামিন ই ও ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ, চুলের রুক্ষতা দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

পরিশেষে, কালো তিল ও ক্যাস্টর অয়েলের মিশ্রণ চুলের ঘনত্ব বাড়াতে এবং চুল পড়া কমাতে কার্যকর হতে পারে। কালো তিলে কপার, আয়রন ও জিঙ্কের মতো পুষ্টিগুণ রয়েছে এবং ক্যাস্টর অয়েলের রাইসিনোলিক অ্যাসিড মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। তবে মনে রাখতে হবে, এই উপাদানগুলো চুলকে পুনরায় কালো করে দেবে—এমন দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

চুলের অকালপক্বতা রোধে কার্যকর হতে পারে এই ৫ ভেষজ তেল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বর্তমান সময়ে জিনগত সমস্যা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দূষণ, ধূমপান এবং অপুষ্টির কারণে অনেকেরই অকালে চুল পাকার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার চুল পেকে গেলে প্রাকৃতিক উপায়ে রং পুরোপুরি ফিরিয়ে আনা কঠিন হলেও, বিশেষ কিছু ভেষজ তেল মাথার ত্বকের পুষ্টি জোগাতে এবং অকালপক্বতার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। ‘ডার্মাটোলজিক থেরাপি’ জার্নালের একটি পর্যালোচনা অনুযায়ী, অকালপক্বতা রোধে ভেষজ উপাদানের সম্ভাবনা থাকলেও এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

চুলের যত্নে আমলকি ও নারকেল তেলের মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকর। আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি, পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা চুলের গোড়া মজবুত রাখে। একইভাবে, কারিপাতায় বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তিলের তেলের সাথে ফুটিয়ে ব্যবহার করলে তা মাথার ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

আয়ুর্বেদে কেশুতকে চুলের পরিচর্যার অন্যতম সেরা ভেষজ হিসেবে মানা হয়। কেশুতের রস বা গুঁড়ো নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে একবার ম্যাসাজ করলে চুলের গোড়া মজবুত হয়। এছাড়া জবা ফুলের প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড চুলকে পরিবেশগত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এর সাথে কাঠবাদামের তেল, যা ভিটামিন ই ও ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ, চুলের রুক্ষতা দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

পরিশেষে, কালো তিল ও ক্যাস্টর অয়েলের মিশ্রণ চুলের ঘনত্ব বাড়াতে এবং চুল পড়া কমাতে কার্যকর হতে পারে। কালো তিলে কপার, আয়রন ও জিঙ্কের মতো পুষ্টিগুণ রয়েছে এবং ক্যাস্টর অয়েলের রাইসিনোলিক অ্যাসিড মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। তবে মনে রাখতে হবে, এই উপাদানগুলো চুলকে পুনরায় কালো করে দেবে—এমন দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।