লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবি সিন্ডিকেট ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের স্বচ্ছ সিট নীতিমালার দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভা চলাকালে সভাকক্ষের বাইরে ‘সিন্ডিকেট ঘেরাও’ কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতারা। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে তারা এই কর্মসূচি শুরু করেন। তাদের মূল দাবি হলো শিক্ষার্থীবান্ধব এবং স্বচ্ছ সিট নীতিমালা প্রণয়ন করা।

আন্দোলন চলাকালে ডাকসু নেতারা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যার মধ্যে ছিল ‘আদু ভাইয়ের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘গণরুমের পায়তারা, রুখে দিবে ছাত্ররা’, ‘আবাসনে রিএড, চলবে না চলবে না’, ‘বিতর্কিত সিট নীতিমালা, চলবে না চলবে না’ এবং ‘স্বচ্ছ নীতিমালা, দিতে হবে দিয়ে দাও’। ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, তিনবার রি-অ্যাডমিশন বা পুনঃভর্তির মাধ্যমে আট বছর হলে অবস্থান করার সুযোগ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তার মতে, এর ফলে রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত শিক্ষার্থীরা ইচ্ছাকৃতভাবে রি-অ্যাডমিশন নিয়ে হলের সিট দখল করে রাখবে, যা আগের মতো গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটাবে। তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে ভর্তির প্রথম দিন থেকেই হলের সিট নিশ্চিত করতে হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে এলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. এনামুল হক সজিবের সাথে ডাকসু প্রতিনিধিদের বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘বাহ্ প্রক্টর চমৎকার, হামলাকারীদের পাহারাদার’ ও ‘বাহ্ প্রক্টর চমৎকার, গণরুমের পাহারাদার’ বলে স্লোগান দেন। শুরুতে ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ জানান, তারা সিন্ডিকেটের ভেতরে যেতে চান না, বরং সিন্ডিকেট সদস্যদেরই বাইরে এসে কথা বলতে হবে। তবে পরবর্তীতে রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় ছয়জন প্রতিনিধি আলোচনার জন্য সিন্ডিকেট সভাকক্ষে প্রবেশ করেন। কর্মসূচিতে ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদসহ বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেটিং তদন্তে ফোন জব্দ, আইসিসির দ্বারস্থ মোহাম্মদ রিজওয়ান

ঢাবি সিন্ডিকেট ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের স্বচ্ছ সিট নীতিমালার দাবি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভা চলাকালে সভাকক্ষের বাইরে ‘সিন্ডিকেট ঘেরাও’ কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতারা। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে তারা এই কর্মসূচি শুরু করেন। তাদের মূল দাবি হলো শিক্ষার্থীবান্ধব এবং স্বচ্ছ সিট নীতিমালা প্রণয়ন করা।

আন্দোলন চলাকালে ডাকসু নেতারা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যার মধ্যে ছিল ‘আদু ভাইয়ের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘গণরুমের পায়তারা, রুখে দিবে ছাত্ররা’, ‘আবাসনে রিএড, চলবে না চলবে না’, ‘বিতর্কিত সিট নীতিমালা, চলবে না চলবে না’ এবং ‘স্বচ্ছ নীতিমালা, দিতে হবে দিয়ে দাও’। ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, তিনবার রি-অ্যাডমিশন বা পুনঃভর্তির মাধ্যমে আট বছর হলে অবস্থান করার সুযোগ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তার মতে, এর ফলে রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত শিক্ষার্থীরা ইচ্ছাকৃতভাবে রি-অ্যাডমিশন নিয়ে হলের সিট দখল করে রাখবে, যা আগের মতো গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটাবে। তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে ভর্তির প্রথম দিন থেকেই হলের সিট নিশ্চিত করতে হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে এলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. এনামুল হক সজিবের সাথে ডাকসু প্রতিনিধিদের বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা ‘বাহ্ প্রক্টর চমৎকার, হামলাকারীদের পাহারাদার’ ও ‘বাহ্ প্রক্টর চমৎকার, গণরুমের পাহারাদার’ বলে স্লোগান দেন। শুরুতে ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ জানান, তারা সিন্ডিকেটের ভেতরে যেতে চান না, বরং সিন্ডিকেট সদস্যদেরই বাইরে এসে কথা বলতে হবে। তবে পরবর্তীতে রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় ছয়জন প্রতিনিধি আলোচনার জন্য সিন্ডিকেট সভাকক্ষে প্রবেশ করেন। কর্মসূচিতে ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদসহ বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।