লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ: বাল্যবিয়ে রোধে বিশেষ গুরুত্ব

আজ ১১ অক্টোবর, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারও দিবসটিকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কন্যাশিশুদের অধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরা হচ্ছে।

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘এন্ড চাইল্ড ম্যারেজ অ্যান্ড ইনভেস্ট ইন গার্লস রাইটস’, যার অর্থ হলো ‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন’। এই প্রতিপাদ্যটি কেবল ক্ষতিকর প্রথা হিসেবে বাল্যবিবাহ বন্ধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং কন্যাশিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, নিরাপত্তা, নেতৃত্ব এবং নিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকারকে সামগ্রিকভাবে গুরুত্ব দেয়।

দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো কন্যাশিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, পুষ্টি, চিকিৎসাসেবা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এর পাশাপাশি বাল্যবিবাহ বন্ধ, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়েও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর থেকে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী দিবসটি নিয়মিত পালন করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কোম্পানীগঞ্জে স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়নের তোড়জোড়

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ: বাল্যবিয়ে রোধে বিশেষ গুরুত্ব

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

আজ ১১ অক্টোবর, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারও দিবসটিকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কন্যাশিশুদের অধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরা হচ্ছে।

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘এন্ড চাইল্ড ম্যারেজ অ্যান্ড ইনভেস্ট ইন গার্লস রাইটস’, যার অর্থ হলো ‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন’। এই প্রতিপাদ্যটি কেবল ক্ষতিকর প্রথা হিসেবে বাল্যবিবাহ বন্ধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং কন্যাশিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, নিরাপত্তা, নেতৃত্ব এবং নিজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকারকে সামগ্রিকভাবে গুরুত্ব দেয়।

দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো কন্যাশিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, পুষ্টি, চিকিৎসাসেবা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এর পাশাপাশি বাল্যবিবাহ বন্ধ, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়েও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর থেকে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী দিবসটি নিয়মিত পালন করা হচ্ছে।