লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরের কাউনিয়ায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার ৫০ হাজার মানুষের

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি কংক্রিটের সেতু নির্মাণ করেছিল। তবে নির্মাণের কয়েক বছরের মাথায় তিস্তা নদীর বন্যায় সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেসে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সংস্কার উদ্যোগ না নেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে একটি অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করেছেন। বর্তমানে প্রতিদিন এই নড়বড়ে সাঁকো দিয়েই শিক্ষার্থী, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়িসহ হাজার হাজার যাত্রী ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রাতে চলাচল করা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং মাঝেমধ্যেই ছোটখাটো দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানালেও এখন পর্যন্ত কেবল আশ্বাসই মিলেছে।

বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজার রহমান জানান, ১০টি গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের চলাচলের এই একমাত্র পথটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আলী জানান, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য এলজিইডিতে একাধিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নতুন একটি সেতুর প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটি ডিজাইন বা নকশা তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই দরপত্র অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং এরপরই নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে ১৬ আসনের ফল, পিছিয়ে ট্রাম্পের দল

রংপুরের কাউনিয়ায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার ৫০ হাজার মানুষের

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি কংক্রিটের সেতু নির্মাণ করেছিল। তবে নির্মাণের কয়েক বছরের মাথায় তিস্তা নদীর বন্যায় সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেসে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সংস্কার উদ্যোগ না নেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে কাঠ ও বাঁশ দিয়ে একটি অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করেছেন। বর্তমানে প্রতিদিন এই নড়বড়ে সাঁকো দিয়েই শিক্ষার্থী, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়িসহ হাজার হাজার যাত্রী ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রাতে চলাচল করা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং মাঝেমধ্যেই ছোটখাটো দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানালেও এখন পর্যন্ত কেবল আশ্বাসই মিলেছে।

বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজার রহমান জানান, ১০টি গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের চলাচলের এই একমাত্র পথটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আলী জানান, নতুন সেতু নির্মাণের জন্য এলজিইডিতে একাধিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নতুন একটি সেতুর প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটি ডিজাইন বা নকশা তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই দরপত্র অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং এরপরই নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে।