লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালাল মাজারে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অজ্ঞাত ব্যক্তির চিঠি উদ্ধার

সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স থেকে একটি ব্যতিক্রমী চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে দরগাহ মসজিদের বারান্দায় মাজারের ডেগ ও দানবাক্সগুলো খোলার সময় এই চিঠিটি কর্মকর্তাদের নজরে আসে।

মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদ নামে এক ব্যক্তি চিঠিটি লিখেছেন। চিঠির শুরুতে লেখক আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এটি শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছাবে কি না। চিঠিতে দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষ একটি শান্ত ও নিরাপদ বাংলাদেশ চায়। ধর্ষণ, হত্যা ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধগুলোর বিচার না হওয়ায় বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

লেখক চিঠিতে রামিসা, আছিয়া ও হাদীর মতো আলোচিত মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া দেশে মাদকের বিস্তার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে তিনি লিখেছেন, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের হাত অনেক বড়, না হলে তারা থানা ম্যানেজ করে কীভাবে? লেখকের মতে, গ্রামের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মাদকাসক্ত। তবে চিঠির লেখক মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদের পরিচয় বা তিনি কখন দানবাক্সে চিঠিটি ফেলেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ১৮ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলো খোলা হয়েছে। এ সময় নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা, রুপা ও সোনা-সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। এছাড়া একটি গরু ও ৬৫টি ছাগলও মাজারে দান করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নতুন মহাপরিচালক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খান

শাহজালাল মাজারে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে অজ্ঞাত ব্যক্তির চিঠি উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স থেকে একটি ব্যতিক্রমী চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে দরগাহ মসজিদের বারান্দায় মাজারের ডেগ ও দানবাক্সগুলো খোলার সময় এই চিঠিটি কর্মকর্তাদের নজরে আসে।

মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদ নামে এক ব্যক্তি চিঠিটি লিখেছেন। চিঠির শুরুতে লেখক আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এটি শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছাবে কি না। চিঠিতে দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষ একটি শান্ত ও নিরাপদ বাংলাদেশ চায়। ধর্ষণ, হত্যা ও শিশু নির্যাতনের মতো অপরাধগুলোর বিচার না হওয়ায় বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

লেখক চিঠিতে রামিসা, আছিয়া ও হাদীর মতো আলোচিত মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া দেশে মাদকের বিস্তার নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে তিনি লিখেছেন, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের হাত অনেক বড়, না হলে তারা থানা ম্যানেজ করে কীভাবে? লেখকের মতে, গ্রামের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মাদকাসক্ত। তবে চিঠির লেখক মোহাম্মদ জুবায়ের আহমদের পরিচয় বা তিনি কখন দানবাক্সে চিঠিটি ফেলেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ১৮ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলো খোলা হয়েছে। এ সময় নগদ ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা, রুপা ও সোনা-সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। এছাড়া একটি গরু ও ৬৫টি ছাগলও মাজারে দান করা হয়েছে।