লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেঘনায় ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা, চাল পাবেন ৪২ হাজার জেলে

জাটকা সংরক্ষণ এবং মা ইলিশ রক্ষায় আগামীকাল বুধবার মধ্যরাত থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। মোট ২২ দিন এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে নদী ও উপকূলবর্তী এলাকায় ইলিশ মাছ আহরণ, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ এবং মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ নদী উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং এবং পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে কার্যকর করা গেলে ভবিষ্যতে নদীতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। আইন অমান্য করে কেউ নদীতে মাছ ধরতে নামলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নিষেধাজ্ঞার সময়ে নিবন্ধিত জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হবে। লক্ষ্মীপুরে মোট ৫৪ হাজার নিবন্ধিত জেলে থাকলেও বর্তমানে ৪২ হাজার ১৫০ জনকে এই সহায়তার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতি জেলেকে ২৫ কেজি করে মোট ১৫৩ টন চাল দেওয়া হবে। বাকি ১১ হাজার ৮৫০ জেলেকে পর্যায়ক্রমে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মৎস্য বিভাগের। তবে জেলেদের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, নিবন্ধিত জেলের সংখ্যার তুলনায় সরকারি খাদ্য সহায়তার পরিমাণ কম। তারা সঠিক তালিকা যাচাই-বাছাই করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সব জেলেকে সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি করল আইন মন্ত্রণালয়

মেঘনায় ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা, চাল পাবেন ৪২ হাজার জেলে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩১:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

জাটকা সংরক্ষণ এবং মা ইলিশ রক্ষায় আগামীকাল বুধবার মধ্যরাত থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। মোট ২২ দিন এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে নদী ও উপকূলবর্তী এলাকায় ইলিশ মাছ আহরণ, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ এবং মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ নদী উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং এবং পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে কার্যকর করা গেলে ভবিষ্যতে নদীতে ইলিশের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। আইন অমান্য করে কেউ নদীতে মাছ ধরতে নামলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ, উপজেলা ও জেলা প্রশাসন, পুলিশ এবং কোস্ট গার্ডের সমন্বয়ে প্রতিদিন নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

নিষেধাজ্ঞার সময়ে নিবন্ধিত জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হবে। লক্ষ্মীপুরে মোট ৫৪ হাজার নিবন্ধিত জেলে থাকলেও বর্তমানে ৪২ হাজার ১৫০ জনকে এই সহায়তার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতি জেলেকে ২৫ কেজি করে মোট ১৫৩ টন চাল দেওয়া হবে। বাকি ১১ হাজার ৮৫০ জেলেকে পর্যায়ক্রমে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মৎস্য বিভাগের। তবে জেলেদের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, নিবন্ধিত জেলের সংখ্যার তুলনায় সরকারি খাদ্য সহায়তার পরিমাণ কম। তারা সঠিক তালিকা যাচাই-বাছাই করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সব জেলেকে সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।