লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে বৃষ্টি বাড়বে কাল থেকে

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর উড়িষ্যা উপকূলের লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে মৌসুমী নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার থেকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা—এই চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি রাখা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় থাকা লঘুচাপটি প্রথমে সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং পরবর্তীতে আরও ঘনীভূত হয়ে মৌসুমী নিম্নচাপে রূপ নেয়। রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এটি একই এলাকায় অবস্থান করছিল এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। বর্ষাকাল হওয়ায় সারা দেশেই কমবেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাজধানীতে বৃষ্টি হলেও দিনের বড় একটি সময় শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে রোববার সারা দেশে আবহাওয়া মোটামুটি শুষ্ক ছিল। রাজধানীতে বৃষ্টি না হলেও টেকনাফে ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টি কমায় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে; মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকায় ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, গত তিন দিনে বৃষ্টিপাত কমে আসায় দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সুরমা ও কুশিয়ারার পানি কমছে, যা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও অন্যান্য নদ-নদীর পানিও কমতির দিকে রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৮৫ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে বৃষ্টি বাড়বে কাল থেকে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর উড়িষ্যা উপকূলের লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে মৌসুমী নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার থেকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা—এই চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি রাখা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় থাকা লঘুচাপটি প্রথমে সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং পরবর্তীতে আরও ঘনীভূত হয়ে মৌসুমী নিম্নচাপে রূপ নেয়। রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এটি একই এলাকায় অবস্থান করছিল এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। বর্ষাকাল হওয়ায় সারা দেশেই কমবেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাজধানীতে বৃষ্টি হলেও দিনের বড় একটি সময় শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে রোববার সারা দেশে আবহাওয়া মোটামুটি শুষ্ক ছিল। রাজধানীতে বৃষ্টি না হলেও টেকনাফে ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টি কমায় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে; মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ঢাকায় ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, গত তিন দিনে বৃষ্টিপাত কমে আসায় দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সুরমা ও কুশিয়ারার পানি কমছে, যা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও অন্যান্য নদ-নদীর পানিও কমতির দিকে রয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।