লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০৮ ডলারে, জ্বালানি সংকট তীব্র হওয়ার শঙ্কা

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে চলমান তীব্র সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পারস্পরিক হামলার পাশাপাশি ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথিদের সৌদি আরবে হামলা এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে উত্তেজনার জেরে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাজারের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক পর্যায়ে ৭ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১০৮ ডলারে পৌঁছায়, যা গত ১৯ মের পর সর্বোচ্চ। দিনশেষে এটি কিছুটা কমে ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে স্থির হয়, যা গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি। অন্যদিকে, মার্কিন অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০৩ ডলারে ওঠে, যা মে মাসের পর প্রথম। দিনশেষে এটি ১০২ দশমিক ৪৮ ডলারে থিতু হয়।

ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের ডেপুটি চিফ ইমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট জেসন টুভে এক নোটে সতর্ক করে বলেছেন, ইরান ও তার মিত্ররা উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের উদ্যোগ নেওয়ায় তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এতে আগামী কয়েক সপ্তাহে জ্বালানির দাম আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি জানিয়েছে, যুদ্ধের সমাপ্তি বা ২০২৭ সালের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বছরজুড়ে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জির ক্রুড অয়েল গবেষণার বৈশ্বিক প্রধান জিম বার্কহার্ড উল্লেখ করেন, বাজার এখন অমীমাংসিত সংঘাত ও সমুদ্রপথে অব্যাহত ঝুঁকির নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। এর বিপরীতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের পরপরই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে এবং জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে কমে আসবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়াবা পাচার রোধে এআই ক্যামেরা ও নতুন চেকপোস্টের প্রস্তাব পুলিশের

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০৮ ডলারে, জ্বালানি সংকট তীব্র হওয়ার শঙ্কা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে চলমান তীব্র সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পারস্পরিক হামলার পাশাপাশি ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথিদের সৌদি আরবে হামলা এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে উত্তেজনার জেরে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাজারের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এক পর্যায়ে ৭ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১০৮ ডলারে পৌঁছায়, যা গত ১৯ মের পর সর্বোচ্চ। দিনশেষে এটি কিছুটা কমে ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে স্থির হয়, যা গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি। অন্যদিকে, মার্কিন অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০৩ ডলারে ওঠে, যা মে মাসের পর প্রথম। দিনশেষে এটি ১০২ দশমিক ৪৮ ডলারে থিতু হয়।

ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের ডেপুটি চিফ ইমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট জেসন টুভে এক নোটে সতর্ক করে বলেছেন, ইরান ও তার মিত্ররা উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের উদ্যোগ নেওয়ায় তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এতে আগামী কয়েক সপ্তাহে জ্বালানির দাম আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি জানিয়েছে, যুদ্ধের সমাপ্তি বা ২০২৭ সালের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী বছরজুড়ে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জির ক্রুড অয়েল গবেষণার বৈশ্বিক প্রধান জিম বার্কহার্ড উল্লেখ করেন, বাজার এখন অমীমাংসিত সংঘাত ও সমুদ্রপথে অব্যাহত ঝুঁকির নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। এর বিপরীতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের পরপরই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে এবং জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে কমে আসবে।