লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের পথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুরের দিকে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন।

পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তার সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সম্পন্ন করা হয়েছে, যেখানে স্নায়ুবিষয়ক জটিলতা ধরা পড়েছে। পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য স্ত্রীসহ সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

চলতি মাসের শুরুতেই বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে তাকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সে সময় তিনি কিছুটা সময় চেয়েছিলেন। এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ৯ মে লন্ডনে সফরকালে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছিলেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই বিষয়টি অবগত হওয়ার পরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকেই রাষ্ট্রপতির পদে থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। যদিও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার তার কাছেই শপথ নিয়েছিল এবং পরবর্তীকালে ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর বিএনপিও তার কাছে শপথ গ্রহণ করে। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল তার অপসারণের দাবি তুললেও বিএনপি এতদিন তাকে দায়িত্বে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।

সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে বা পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর

অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের পথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুরের দিকে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন।

পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তার সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সম্পন্ন করা হয়েছে, যেখানে স্নায়ুবিষয়ক জটিলতা ধরা পড়েছে। পদত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য স্ত্রীসহ সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

চলতি মাসের শুরুতেই বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে তাকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সে সময় তিনি কিছুটা সময় চেয়েছিলেন। এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ৯ মে লন্ডনে সফরকালে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছিলেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই বিষয়টি অবগত হওয়ার পরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকেই রাষ্ট্রপতির পদে থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। যদিও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার তার কাছেই শপথ নিয়েছিল এবং পরবর্তীকালে ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর বিএনপিও তার কাছে শপথ গ্রহণ করে। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল তার অপসারণের দাবি তুললেও বিএনপি এতদিন তাকে দায়িত্বে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।

সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে বা পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।