লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মহড়াস্থলে পৌঁছান এবং পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাকে মহড়ার বিভিন্ন দিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মিশে যান এবং তাদের কাজের খোঁজখবর নেন। জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি সেনাসদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের প্রশংসা করেন এবং তাদের উৎসাহ দেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বের কথা শোনেন। এমনকি তিনি যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবার—সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি—সেনাসদস্যদের সঙ্গে গ্রহণ করেন।

সেনাসদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় সংকট মোকাবেলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগ দেশের মানুষের মনে তাদের প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিজেকে একটি সেনা পরিবারের সন্তান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাসদস্যদের সান্নিধ্যে এলে তিনি শৈশবের স্মৃতিতে ফিরে যান। তিনি এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

পরিদর্শনের সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর

সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৪৫:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মহড়াস্থলে পৌঁছান এবং পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাকে মহড়ার বিভিন্ন দিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধের জন্য ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মিশে যান এবং তাদের কাজের খোঁজখবর নেন। জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি সেনাসদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের প্রশংসা করেন এবং তাদের উৎসাহ দেন। একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বের কথা শোনেন। এমনকি তিনি যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবার—সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি—সেনাসদস্যদের সঙ্গে গ্রহণ করেন।

সেনাসদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় সংকট মোকাবেলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগ দেশের মানুষের মনে তাদের প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নিজেকে একটি সেনা পরিবারের সন্তান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাসদস্যদের সান্নিধ্যে এলে তিনি শৈশবের স্মৃতিতে ফিরে যান। তিনি এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নে সরকারের সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

পরিদর্শনের সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।