লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি জোটের

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবে কঠোর ও দায়িত্বশীল সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট। সম্প্রতি সৌদি আরবের তিনটি শহরে হুথিদের চালানো হামলায় অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার পর এই হুঁশিয়ারি এল।

মঙ্গলবার ভোরের দিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফ শহরে হুথিরা হামলা চালিয়েছে। এতে ১৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের আঘাত অবশ্য গুরুতর নয়। তবে এই হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জোট কর্তৃপক্ষ।

এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, দেশের sovereignty বা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জোটের যৌথ বাহিনী অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এবং কঠোরভাবে এই হামলার জবাব দেবে।

এদিকে, ইয়েমেনে চলমান এই সংঘাতের কারণে সেখানের মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকে ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের জেরে অন্তত ১৮ হাজার পরিবার বা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ নতুন করে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কারণে মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়ছে, বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং আগে থেকেই সংকটে থাকা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের ওপর চরম অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের বিরুদ্ধেও ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ তুলেছে হুথিরা। সোমবার রাতে হুথি গোষ্ঠী দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের লাহিজ, তাইজ, আল-জাওফ, মারিব ও হাজ্জাহ প্রদেশে সৌদি জোট অন্তত ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে তাইজ প্রদেশের খাদির জেলার একটি সরকারি কমপ্লেক্সেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তারা।

হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এ বিষয়ে জানান, সৌদি বিমানঘাঁটি থেকে উড়ে আসা এফ-১৫ এবং টাইফুন যুদ্ধবিমান এসব হামলায় অংশ নিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি জোটের এই বিমান হামলার উপযুক্ত প্রতিশোধ নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে হুথি গোষ্ঠী।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাটুকার গণমাধ্যম সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর নয়

সৌদি আরবে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি জোটের

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবে কঠোর ও দায়িত্বশীল সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট। সম্প্রতি সৌদি আরবের তিনটি শহরে হুথিদের চালানো হামলায় অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার পর এই হুঁশিয়ারি এল।

মঙ্গলবার ভোরের দিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফ শহরে হুথিরা হামলা চালিয়েছে। এতে ১৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের আঘাত অবশ্য গুরুতর নয়। তবে এই হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জোট কর্তৃপক্ষ।

এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, দেশের sovereignty বা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জোটের যৌথ বাহিনী অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এবং কঠোরভাবে এই হামলার জবাব দেবে।

এদিকে, ইয়েমেনে চলমান এই সংঘাতের কারণে সেখানের মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরু থেকে ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের জেরে অন্তত ১৮ হাজার পরিবার বা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষ নতুন করে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কারণে মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়ছে, বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে এবং আগে থেকেই সংকটে থাকা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের ওপর চরম অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের বিরুদ্ধেও ব্যাপক বিমান হামলার অভিযোগ তুলেছে হুথিরা। সোমবার রাতে হুথি গোষ্ঠী দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের লাহিজ, তাইজ, আল-জাওফ, মারিব ও হাজ্জাহ প্রদেশে সৌদি জোট অন্তত ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে তাইজ প্রদেশের খাদির জেলার একটি সরকারি কমপ্লেক্সেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে তারা।

হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এ বিষয়ে জানান, সৌদি বিমানঘাঁটি থেকে উড়ে আসা এফ-১৫ এবং টাইফুন যুদ্ধবিমান এসব হামলায় অংশ নিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি জোটের এই বিমান হামলার উপযুক্ত প্রতিশোধ নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে হুথি গোষ্ঠী।