লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরিফ ওসমান হাদি হত্যা: প্রধান আসামির স্ত্রীর জামিন মেলেনি হাইকোর্টে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীনের জামিন মেলেনি হাইকোর্টে। রবিবার বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হোসনে মোবারক।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ১২ই ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে নির্বাচনী প্রচারণার সময় একদল দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান বিন হাদি। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর ১৪ই ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে প্রথমে একটি হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খানসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে এজাহারে এই হামলার পরিকল্পনাকারী, অর্থের জোগানদাতা এবং পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছিল।

ঘটনার দিনই র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ এবং বান্ধবী মারিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে শরিফ ওসমানের মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে সাহেদা পারভীন, ওয়াহিদ আহমেদ ও মারিয়া আক্তার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সাহেদা পারভীন জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে প্রবেশের মুখে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দিল পুলিশ

শরিফ ওসমান হাদি হত্যা: প্রধান আসামির স্ত্রীর জামিন মেলেনি হাইকোর্টে

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীনের জামিন মেলেনি হাইকোর্টে। রবিবার বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হোসনে মোবারক।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ১২ই ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে নির্বাচনী প্রচারণার সময় একদল দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান বিন হাদি। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর ১৪ই ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে প্রথমে একটি হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খানসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে এজাহারে এই হামলার পরিকল্পনাকারী, অর্থের জোগানদাতা এবং পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছিল।

ঘটনার দিনই র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ এবং বান্ধবী মারিয়া আক্তারকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে শরিফ ওসমানের মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে সাহেদা পারভীন, ওয়াহিদ আহমেদ ও মারিয়া আক্তার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সাহেদা পারভীন জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।