লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শনিবার ফের প্রকাশ্যে গণনা হবে শাহজালাল মাজারের দানের টাকা

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে জমানো টাকা আগামী শনিবার আবারও প্রকাশ্যে গণনা করা হবে। মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির নেওয়া সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে চতুর্থবারের মতো এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করা হচ্ছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টায় মাজার প্রাঙ্গণে এই গণনা শুরু হবে।

এর আগে গত ২২ জুন থেকে তিন দফায় মাজারের দানবাক্সগুলো গণনা করা হয়েছিল। সেই পর্যায়ে মোট ১ কোটি ৪০ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সংগৃহীত এই অর্থ জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে খোলা একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়েছে।

মাজারের আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগটি প্রথম গ্রহণ করেছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, গত ১২ জুন। এর ধারাবাহিকতায় ১৮ জুন মাজার প্রাঙ্গণে চারটি নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত তিনটি ঐতিহাসিক দানের ডেগ ও দানবাক্সগুলো সিলগালা করে দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপটি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। এর পরপরই ২১ জুন সারওয়ার আলমকে জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।

পরবর্তীতে মাজারের আর্থিক কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে গত ২৬ জুন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ১১ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিকে এক মাসের মধ্যে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য আধুনিক ও কার্যকর কাঠামোর সুপারিশ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের ৮ জেলায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

শনিবার ফের প্রকাশ্যে গণনা হবে শাহজালাল মাজারের দানের টাকা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে জমানো টাকা আগামী শনিবার আবারও প্রকাশ্যে গণনা করা হবে। মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির নেওয়া সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে চতুর্থবারের মতো এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করা হচ্ছে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টায় মাজার প্রাঙ্গণে এই গণনা শুরু হবে।

এর আগে গত ২২ জুন থেকে তিন দফায় মাজারের দানবাক্সগুলো গণনা করা হয়েছিল। সেই পর্যায়ে মোট ১ কোটি ৪০ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সংগৃহীত এই অর্থ জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে খোলা একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয়েছে।

মাজারের আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগটি প্রথম গ্রহণ করেছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, গত ১২ জুন। এর ধারাবাহিকতায় ১৮ জুন মাজার প্রাঙ্গণে চারটি নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত তিনটি ঐতিহাসিক দানের ডেগ ও দানবাক্সগুলো সিলগালা করে দেওয়া হয়। এই পদক্ষেপটি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। এর পরপরই ২১ জুন সারওয়ার আলমকে জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।

পরবর্তীতে মাজারের আর্থিক কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে গত ২৬ জুন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ১১ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিকে এক মাসের মধ্যে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য আধুনিক ও কার্যকর কাঠামোর সুপারিশ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।