লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি: আবেদনের নিয়ম ও ১৪ নির্দেশনা প্রকাশ

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের জন্য একটি খসড়া বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এই খসড়ায় বদলি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিয়ম নিশ্চিত করতে মোট ১৪ দফা নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগ্রহী শিক্ষকরা আগামী ২১ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে শিক্ষকদের http://ngttdshe.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে তাদের মোবাইলে প্রেরিত নিজস্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পছন্দের ক্রমানুসারে আবেদনের সুযোগ পাবেন। আবেদন জমা দেওয়ার পর বদলি নীতিমালা অনুসরণ করে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা যাচাই-বাছাই করা হবে এবং কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে পদায়নের আদেশ জারি করবে। এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করতে হবে। নিজ জেলায় পদ খালি না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা তাদের কর্মস্থল—যা শুধুমাত্র সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য—সেখানেও বদলির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সফটওয়্যারে কোনো ভুল তথ্য প্রদান করা হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ভার নিতে হবে।

বদলি সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শর্তের মধ্যে রয়েছে, চাকরিতে যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে একজন শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে, বদলি হওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে ন্যূনতম দুই বছর দায়িত্ব পালন না করা পর্যন্ত পরবর্তী বদলির আবেদন করা যাবে না। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে এবং ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য প্রদান করা হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বদলিকৃত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তারা কোনো ধরনের টিএ বা ডিএ প্রাপ্য হবেন না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে অবমুক্তি নিশ্চিত করবেন এবং অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অবমুক্ত হওয়া থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান পর্যন্ত সময়টুকু কর্মকাল হিসেবে গণ্য করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে জুয়েলারি দোকানের ভেতর ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি: আবেদনের নিয়ম ও ১৪ নির্দেশনা প্রকাশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৫৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের জন্য একটি খসড়া বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এই খসড়ায় বদলি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিয়ম নিশ্চিত করতে মোট ১৪ দফা নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগ্রহী শিক্ষকরা আগামী ২১ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে শিক্ষকদের http://ngttdshe.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে তাদের মোবাইলে প্রেরিত নিজস্ব ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পছন্দের ক্রমানুসারে আবেদনের সুযোগ পাবেন। আবেদন জমা দেওয়ার পর বদলি নীতিমালা অনুসরণ করে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা যাচাই-বাছাই করা হবে এবং কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে পদায়নের আদেশ জারি করবে। এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করতে হবে। নিজ জেলায় পদ খালি না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা তাদের কর্মস্থল—যা শুধুমাত্র সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য—সেখানেও বদলির আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সফটওয়্যারে কোনো ভুল তথ্য প্রদান করা হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ভার নিতে হবে।

বদলি সংক্রান্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শর্তের মধ্যে রয়েছে, চাকরিতে যোগদানের পর দুই বছর পূর্ণ হলে একজন শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে, বদলি হওয়ার পর নতুন কর্মস্থলে ন্যূনতম দুই বছর দায়িত্ব পালন না করা পর্যন্ত পরবর্তী বদলির আবেদন করা যাবে না। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে এবং ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য প্রদান করা হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বদলিকৃত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তারা কোনো ধরনের টিএ বা ডিএ প্রাপ্য হবেন না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে অবমুক্তি নিশ্চিত করবেন এবং অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অবমুক্ত হওয়া থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান পর্যন্ত সময়টুকু কর্মকাল হিসেবে গণ্য করা হবে।