লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এআই ব্যবহারে শিশুদের শিখন দক্ষতা বাড়ানোর তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর

ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক ২০২৬’-এর ‘এডুকেশন ইন দ্য এজ অব এআই’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিশুদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারে সক্ষম করে গড়ে তুলতে হলে তাদের শিখন দক্ষতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের শিশুদের ভিত্তিমূলক শিক্ষায় বা ফাউন্ডেশনাল লার্নিংয়ে এখনো কিছু দুর্বলতা রয়েছে। তাই এআই থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে হলে শিশুদের পড়া, যুক্তি প্রয়োগ এবং তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এআই চালুর ক্ষেত্রে শিক্ষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, কোনো প্রতিষ্ঠানে এআই ক্রয় বা ব্যবহারের আগে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাইলট প্রজেক্ট থেকে শুরু করে ক্রয়, মূল্যায়ন ও সংশোধন—প্রতিটি ধাপেই শিক্ষকদের সম্পৃক্ত থাকতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, এআই ব্যবহার করলে সময় সাশ্রয় হয় ঠিকই, কিন্তু সব ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা কার্যকর নয়। বিশেষ করে শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি, মূল্যায়ন কিংবা শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের মতো বিষয়গুলোতে কেবল অটোমেটেড সিস্টেমের ওপর নির্ভর করা সম্ভব নয়।

এআইয়ের কার্যকারিতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কেবল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বা পাইলট প্রজেক্টের হার দিয়ে সফলতা বিচার করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এআই ব্যবহারের সফলতা নির্ণয়ে লার্নিং আউটকাম, শিক্ষকদের কাজের চাপ, সমতা, নিরাপত্তা, ব্যয়-সাশ্রয় এবং শিক্ষকরা কতটুকু এআইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারছেন—সেগুলো বিবেচনায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, ৮ থেকে ১১ই সেপ্টেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইউনেস্কোর ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক ২০২৬’। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘এডুকেশন ইন দ্য এজ অব এআই: ফ্যাক্টস, ফ্রিকশনস, ফ্রন্টিয়ার্স’। এই সেশনে ২৫টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। বুধবার ‘টিচারর্স অ্যাট দ্য সেন্টার: এজেন্সি, কমপিটিট্যান্স অ্যান্ড দ্য টিচার-স্টুডেন্ট রিলেশনশিপ’ শীর্ষক প্ল্যানারি সেশনেও মন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে দিশেহারা সিএনজি চালক: কমছে আয়, বাড়ছে ভোগান্তি

এআই ব্যবহারে শিশুদের শিখন দক্ষতা বাড়ানোর তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক ২০২৬’-এর ‘এডুকেশন ইন দ্য এজ অব এআই’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিশুদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারে সক্ষম করে গড়ে তুলতে হলে তাদের শিখন দক্ষতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের শিশুদের ভিত্তিমূলক শিক্ষায় বা ফাউন্ডেশনাল লার্নিংয়ে এখনো কিছু দুর্বলতা রয়েছে। তাই এআই থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে হলে শিশুদের পড়া, যুক্তি প্রয়োগ এবং তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা বাড়ানো জরুরি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এআই চালুর ক্ষেত্রে শিক্ষকদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, কোনো প্রতিষ্ঠানে এআই ক্রয় বা ব্যবহারের আগে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাইলট প্রজেক্ট থেকে শুরু করে ক্রয়, মূল্যায়ন ও সংশোধন—প্রতিটি ধাপেই শিক্ষকদের সম্পৃক্ত থাকতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, এআই ব্যবহার করলে সময় সাশ্রয় হয় ঠিকই, কিন্তু সব ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা কার্যকর নয়। বিশেষ করে শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি, মূল্যায়ন কিংবা শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের মতো বিষয়গুলোতে কেবল অটোমেটেড সিস্টেমের ওপর নির্ভর করা সম্ভব নয়।

এআইয়ের কার্যকারিতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কেবল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বা পাইলট প্রজেক্টের হার দিয়ে সফলতা বিচার করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এআই ব্যবহারের সফলতা নির্ণয়ে লার্নিং আউটকাম, শিক্ষকদের কাজের চাপ, সমতা, নিরাপত্তা, ব্যয়-সাশ্রয় এবং শিক্ষকরা কতটুকু এআইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারছেন—সেগুলো বিবেচনায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, ৮ থেকে ১১ই সেপ্টেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইউনেস্কোর ‘ডিজিটাল লার্নিং উইক ২০২৬’। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘এডুকেশন ইন দ্য এজ অব এআই: ফ্যাক্টস, ফ্রিকশনস, ফ্রন্টিয়ার্স’। এই সেশনে ২৫টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। বুধবার ‘টিচারর্স অ্যাট দ্য সেন্টার: এজেন্সি, কমপিটিট্যান্স অ্যান্ড দ্য টিচার-স্টুডেন্ট রিলেশনশিপ’ শীর্ষক প্ল্যানারি সেশনেও মন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।