লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ তিন নেতা আটক

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (আইজিআই) তাকে আটক করা হয়। এসময় তার সাথে দলের আরও দুই নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকাকেও আটক করা হয়েছে।

দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেই বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা দিল্লিতে পৌঁছেছিলেন। অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে যাওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন যে, বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তিনি প্রস্তুত আছেন।

অভিজিৎ দীপকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, সরকার নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের আড়ালে সাধারণ মানুষকে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে। সরকারের এই ধরণের পদক্ষেপ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুল মোতায়েনের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। তার দাবি, সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হওয়া তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের ভয় পায় সরকার।

সিজেপির এই প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ নম্বর ধারায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬০০ জনকে আটক করা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

শনিবার সকাল ৬টা থেকেই দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় কঠোর ট্রাফিক বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশ মোতায়েন করে যানবাহন তল্লাশি এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। এছাড়া মেট্রো পরিষেবা সীমিত করা, একাধিক ট্রেন বাতিল এবং রাজধানীর কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

দিল্লিতে ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ তিন নেতা আটক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (আইজিআই) তাকে আটক করা হয়। এসময় তার সাথে দলের আরও দুই নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকাকেও আটক করা হয়েছে।

দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেই বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা দিল্লিতে পৌঁছেছিলেন। অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে যাওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন যে, বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তিনি প্রস্তুত আছেন।

অভিজিৎ দীপকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, সরকার নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের আড়ালে সাধারণ মানুষকে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে। সরকারের এই ধরণের পদক্ষেপ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুল মোতায়েনের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। তার দাবি, সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হওয়া তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের ভয় পায় সরকার।

সিজেপির এই প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ নম্বর ধারায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৬০০ জনকে আটক করা হয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

শনিবার সকাল ৬টা থেকেই দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় কঠোর ট্রাফিক বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশ মোতায়েন করে যানবাহন তল্লাশি এবং সাধারণ মানুষের চলাচলের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। এছাড়া মেট্রো পরিষেবা সীমিত করা, একাধিক ট্রেন বাতিল এবং রাজধানীর কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর রয়েছে।