লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযোগ জমা পড়েছে। আজ রোববার বাংলাদেশ আজাদি পার্টি ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম নামের দুটি সংগঠন এই অভিযোগগুলো দাখিল করে। একই সঙ্গে আজাদি পার্টি সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ দাখিলের পর বাংলাদেশ আজাদি পার্টির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. হাসিনুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে যে হত্যা ও গুমের ঘটনা ঘটেছে, তার বিরুদ্ধে এই দুই রাষ্ট্রপতি কোনো প্রতিবাদ করেননি। তিনি অভিযোগ করেন, এসব অপরাধে তাঁদের মৌন সম্মতি ছিল। আজাদি পার্টির প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা গণহত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও আয়নাঘরের মতো ঘটনার সময় এই দুজন রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতিরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সমর্থন ও নিরাপত্তা দিয়েছেন এবং ক্ষমতার অংশ হিসেবে সুবিধা ভোগ করেছেন, তাই তাঁরা এই অপরাধের দায় এড়াতে পারেন না।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম কেবল মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস জানান, গত বছরের ১৮ জানুয়ারি শাহবাগে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তাঁকে গুম করা হয়েছিল এবং ১৯ জানুয়ারি বাংলামোটর এলাকায় ফেলে রাখা হয়। অভিযোগে সাহাবুদ্দিনকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি, নির্যাতন, খুন ও গুমের হুকুমদাতা হিসেবে তাঁর ভূমিকা তদন্ত করে বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তাঁর সংশ্লিষ্টতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযোগ জমা পড়েছে। আজ রোববার বাংলাদেশ আজাদি পার্টি ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম নামের দুটি সংগঠন এই অভিযোগগুলো দাখিল করে। একই সঙ্গে আজাদি পার্টি সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ দাখিলের পর বাংলাদেশ আজাদি পার্টির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. হাসিনুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশে যে হত্যা ও গুমের ঘটনা ঘটেছে, তার বিরুদ্ধে এই দুই রাষ্ট্রপতি কোনো প্রতিবাদ করেননি। তিনি অভিযোগ করেন, এসব অপরাধে তাঁদের মৌন সম্মতি ছিল। আজাদি পার্টির প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা গণহত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও আয়নাঘরের মতো ঘটনার সময় এই দুজন রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতিরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে সমর্থন ও নিরাপত্তা দিয়েছেন এবং ক্ষমতার অংশ হিসেবে সুবিধা ভোগ করেছেন, তাই তাঁরা এই অপরাধের দায় এড়াতে পারেন না।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম কেবল মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস জানান, গত বছরের ১৮ জানুয়ারি শাহবাগে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তাঁকে গুম করা হয়েছিল এবং ১৯ জানুয়ারি বাংলামোটর এলাকায় ফেলে রাখা হয়। অভিযোগে সাহাবুদ্দিনকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি, নির্যাতন, খুন ও গুমের হুকুমদাতা হিসেবে তাঁর ভূমিকা তদন্ত করে বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তাঁর সংশ্লিষ্টতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।