লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ আবু সাঈদ ভয় জয়ের অদম্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক শহীদ আবু সাঈদ। ১৬ জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ করে বুধবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের সামনে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দাঁড়িয়েছিলেন। তার এই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না, বরং তা ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে অদম্য সাহসের প্রতীক।

বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ১৬ জুলাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। এদিন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। আবু সাঈদের বুকে পুলিশের গুলি করার দৃশ্য গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে, যা কোটা সংস্কারের দাবিকে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপান্তরিত করে। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচার দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, সেই দিন রংপুরে আবু সাঈদ ছাড়াও চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন প্রাণ দিয়েছিলেন। তিনি শহীদ আবু সাঈদ ও শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি এই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা প্রার্থনা করেন।

তারেক রহমান বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেড় দশক ধরে চলে আসা ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি, গুম, খুন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, শহীদদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। তাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। সব নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমেই শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধ সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর

শহীদ আবু সাঈদ ভয় জয়ের অদম্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০০:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক শহীদ আবু সাঈদ। ১৬ জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ করে বুধবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের সামনে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দাঁড়িয়েছিলেন। তার এই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না, বরং তা ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে অদম্য সাহসের প্রতীক।

বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ১৬ জুলাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। এদিন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। আবু সাঈদের বুকে পুলিশের গুলি করার দৃশ্য গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে, যা কোটা সংস্কারের দাবিকে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপান্তরিত করে। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচার দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, সেই দিন রংপুরে আবু সাঈদ ছাড়াও চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন প্রাণ দিয়েছিলেন। তিনি শহীদ আবু সাঈদ ও শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি এই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা প্রার্থনা করেন।

তারেক রহমান বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেড় দশক ধরে চলে আসা ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি, গুম, খুন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, শহীদদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। তাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। সব নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমেই শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধ সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।