লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সম্পদ গোপন ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক এমপি কামারুলের বিরুদ্ধে মামলা

কুষ্টিয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. কামারুল আরেফিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় এই মামলাটি রুজু করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি কামারুল আরেফিন তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৮ কোটি ৯৬ লাখ ৯৭ হাজার ২৫১ টাকার সম্পদের তথ্য দিয়েছিলেন। তবে অনুসন্ধানে দুদক তার নামে ১০ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৫২ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানা খুঁজে পেয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, সাবেক এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ১ কোটি ৬৮ লাখ ৮ হাজার ৮০১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৮ কোটি ৯ লাখ ১ হাজার ৪৮৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, কামারুল আরেফিন ক্ষমতার অপব্যবহার করে টেন্ডার বাণিজ্য, পশুর হাট ও বালুমহাল ইজারা এবং বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রকল্পের নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার এবং নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উদ্দেশে মতিউর রহমান চৌধুরী: দয়া করে হাতটা বাঁধবেন না

সম্পদ গোপন ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক এমপি কামারুলের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কুষ্টিয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. কামারুল আরেফিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় এই মামলাটি রুজু করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি কামারুল আরেফিন তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৮ কোটি ৯৬ লাখ ৯৭ হাজার ২৫১ টাকার সম্পদের তথ্য দিয়েছিলেন। তবে অনুসন্ধানে দুদক তার নামে ১০ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৫২ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানা খুঁজে পেয়েছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, সাবেক এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ১ কোটি ৬৮ লাখ ৮ হাজার ৮০১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৮ কোটি ৯ লাখ ১ হাজার ৪৮৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, কামারুল আরেফিন ক্ষমতার অপব্যবহার করে টেন্ডার বাণিজ্য, পশুর হাট ও বালুমহাল ইজারা এবং বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রকল্পের নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার এবং নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।