লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন পরিচালিত একটি প্রকল্পে চিকিৎসা সামগ্রী কেনাকাটায় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যান্ডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে বড় ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত ছয়টি মামলায় মোট ১২ কোটি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৯৮৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় কেএন৯৫ ও এন৯৫ মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হাসপাতাল বেড, চিকিৎসা ও সার্জিক্যাল সামগ্রী, টিভিসি প্রচার, মোবাইল অ্যাপ এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবা কেনাকাটায় ক্ষমতার অপব্যবহার, পারস্পরিক যোগসাজশ ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

মামলাগুলোতে আত্মসাতের অংকের ভিত্তিতে বিভাজন করা হয়েছে: প্রথম মামলায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা, দ্বিতীয় মামলায় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, তৃতীয় মামলায় ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা, চতুর্থ মামলায় ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা, পঞ্চম মামলায় ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং ষষ্ঠ মামলায় ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ছাড়াও কোভিড-১৯ ইআরপিপি প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা এবং অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানাসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রয়েছেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট প্যাকেজগুলোর পণ্য ও সেবা সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তাদেরও আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ের করা এসব মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ছাড়া বিকল্প ছিল না: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৬ মামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন পরিচালিত একটি প্রকল্পে চিকিৎসা সামগ্রী কেনাকাটায় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যান্ডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে বড় ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত ছয়টি মামলায় মোট ১২ কোটি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৯৮৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদক জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় কেএন৯৫ ও এন৯৫ মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হাসপাতাল বেড, চিকিৎসা ও সার্জিক্যাল সামগ্রী, টিভিসি প্রচার, মোবাইল অ্যাপ এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবা কেনাকাটায় ক্ষমতার অপব্যবহার, পারস্পরিক যোগসাজশ ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

মামলাগুলোতে আত্মসাতের অংকের ভিত্তিতে বিভাজন করা হয়েছে: প্রথম মামলায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা, দ্বিতীয় মামলায় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, তৃতীয় মামলায় ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা, চতুর্থ মামলায় ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা, পঞ্চম মামলায় ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং ষষ্ঠ মামলায় ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ছাড়াও কোভিড-১৯ ইআরপিপি প্রকল্পের সাবেক প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা এবং অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানাসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রয়েছেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট প্যাকেজগুলোর পণ্য ও সেবা সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তাদেরও আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ের করা এসব মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।