লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাড়ে তিন মাস পর ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাজারে মার্কিন ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধি ও দরপতনের মধ্যে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ৫ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার চারটি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এই ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে সর্বশেষ গত ২০ মে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালের দিকে বাজারে ডলারের দাম কিছুটা কম ছিল। রেমিট্যান্স হাউসগুলো থেকে ব্যাংকগুলো ১২২ টাকা ৩০ থেকে ৪০ পয়সা দরে ডলার সংগ্রহ করে। অন্যদিকে, আমদানি দায় বা ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডলারের দর ছিল ১২২ টাকা ৫০ থেকে ৬০ পয়সা। তবে দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ডলার কেনার ঘোষণা দেওয়ার পর বাজারে এর প্রভাব পড়ে। বিকেলের দিকে অনেক ব্যাংক একই দরে রেমিট্যান্সের ডলার কেনা এবং এলসি নিষ্পত্তি শুরু করে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ডলার ক্রয়ের মাধ্যমে বাজারে একটি স্পষ্ট বার্তা গেছে যে, ডলারের দর ১২২ টাকা ৭৫ পয়সার নিচে নামতে দেওয়া হবে না। ব্যাংকারদের মতে, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত ডলারের সরবরাহ রয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি দায় পরিশোধের চাপও কিছুটা কমেছে। তাছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ দুর্বল থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদাও কমতির দিকে। মূলত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকার কারণেই ডলারের দর নিম্নমুখী ছিল।

সম্প্রতি ডলারের বাজারে বেশ ওঠানামা দেখা গেছে। গত সপ্তাহের শেষ দিকে ডলারের দর ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা পর্যন্ত উঠলেও দুই সপ্তাহ আগে তা ১২২ টাকায় নেমে এসেছিল। তবে আগামী মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কিছু আমদানি বিল পরিশোধের সময় হওয়ায় ডলারের চাহিদা আবার বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন ব্যাংকাররা।

সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নিলে তা সকালেই ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে থাকে। তবে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কেনার বিষয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে অবহিত করে। ফলে সকালের দিকে ব্যাংকগুলো তুলনামূলক কম দরে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের এলসি নিষ্পত্তি সম্পন্ন করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবি প্রাধ্যক্ষ অপসারণের দাবিতে ইব্রাহীমের দ্বিতীয় দিনের অবস্থান

সাড়ে তিন মাস পর ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৩০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাজারে মার্কিন ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধি ও দরপতনের মধ্যে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ৫ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার চারটি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এই ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে সর্বশেষ গত ২০ মে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালের দিকে বাজারে ডলারের দাম কিছুটা কম ছিল। রেমিট্যান্স হাউসগুলো থেকে ব্যাংকগুলো ১২২ টাকা ৩০ থেকে ৪০ পয়সা দরে ডলার সংগ্রহ করে। অন্যদিকে, আমদানি দায় বা ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডলারের দর ছিল ১২২ টাকা ৫০ থেকে ৬০ পয়সা। তবে দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ডলার কেনার ঘোষণা দেওয়ার পর বাজারে এর প্রভাব পড়ে। বিকেলের দিকে অনেক ব্যাংক একই দরে রেমিট্যান্সের ডলার কেনা এবং এলসি নিষ্পত্তি শুরু করে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ডলার ক্রয়ের মাধ্যমে বাজারে একটি স্পষ্ট বার্তা গেছে যে, ডলারের দর ১২২ টাকা ৭৫ পয়সার নিচে নামতে দেওয়া হবে না। ব্যাংকারদের মতে, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত ডলারের সরবরাহ রয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি দায় পরিশোধের চাপও কিছুটা কমেছে। তাছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ দুর্বল থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদাও কমতির দিকে। মূলত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকার কারণেই ডলারের দর নিম্নমুখী ছিল।

সম্প্রতি ডলারের বাজারে বেশ ওঠানামা দেখা গেছে। গত সপ্তাহের শেষ দিকে ডলারের দর ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা পর্যন্ত উঠলেও দুই সপ্তাহ আগে তা ১২২ টাকায় নেমে এসেছিল। তবে আগামী মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কিছু আমদানি বিল পরিশোধের সময় হওয়ায় ডলারের চাহিদা আবার বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন ব্যাংকাররা।

সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নিলে তা সকালেই ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে থাকে। তবে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কেনার বিষয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে অবহিত করে। ফলে সকালের দিকে ব্যাংকগুলো তুলনামূলক কম দরে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের এলসি নিষ্পত্তি সম্পন্ন করে।