লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘যেকোনো প্রতিপক্ষকে চমক দিতে পারে বাংলাদেশ’, আশাবাদী কোচ থমাস ডুলি

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও মানসিকতায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করেন দলটির প্রধান কোচ থমাস ডুলি। তাঁর মতে, লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা এখন আর আগের মতো নেই। যেকোনো প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে লড়াই করার সামর্থ্য অর্জন করেছে তারা। সর্বশেষ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হামজা ও শমিতরা সেই প্রমাণ দেখিয়েছেন। বর্তমান দলের যেকোনো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকেই চমকে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন এই কোচ।

শনিবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে থমাস ডুলি আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে আসিয়ান কাপে খেলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি জানান, আসিয়ান কাপে অংশ নিতে পারলে সেটি দলের জন্য দারুণ এক প্রস্তুতি হবে। তবে এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। কারণ সেখানে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া কিংবা মালয়েশিয়ার মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে মাঠে নামতে হতে পারে লাল-সবুজ বাহিনীকে। আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের খেলার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত না হলেও, সেখানে অংশ নিলে দল অন্তত চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।

টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থান নিয়ে ডুলি বলেন, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবেই আন্ডারডগ হিসেবে খেলবে। তবে একে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তিনি। তাঁর মতে, আন্ডারডগ হওয়ায় প্রতিপক্ষের ওপর নিজেদের সেরা প্রমাণ করার বাড়তি চাপ থাকবে। অন্যদিকে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে কেবল মাঠে নিজেদের সেরাটা দিয়ে লড়াই করা। খেলোয়াড়রা যদি শারীরিকভাবে শতভাগ ফিট থাকে, তবে যেকোনো দলকেই চমকে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

তবে ঘরের মাঠের চেয়ে আসিয়ান কাপের ম্যাচগুলো জেতা অনেক বেশি কঠিন হবে বলে স্বীকার করেছেন প্রধান কোচ। তিনি উল্লেখ করেন, ঘরের মাঠে খেললে কঠিন ম্যাচের জন্য খেলোয়াড়দের মধ্যে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। বর্তমানে খেলোয়াড়দের প্রধান সমস্যা হিসেবে ফিটনেসের ঘাটতিকে চিহ্নিত করেছেন ডুলি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের মানদণ্ড অনুযায়ী, চার সপ্তাহের প্রাক-মৌসুম ফিটনেস ট্রেনিং এবং অন্তত ৫-৬টি ম্যাচ খেলার সুযোগ না থাকলে লড়াই করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। পেশাদার ফুটবলের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতিটি বেশ জটিল হলেও বিদ্যমান বাস্তবতার সঙ্গেই মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ দল।

জনপ্রিয় সংবাদ

তাইওয়ানে সামরিক আগ্রাসন কি শি জিনপিংয়ের ক্ষমতার অবসান ঘটাবে?

‘যেকোনো প্রতিপক্ষকে চমক দিতে পারে বাংলাদেশ’, আশাবাদী কোচ থমাস ডুলি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও মানসিকতায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করেন দলটির প্রধান কোচ থমাস ডুলি। তাঁর মতে, লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা এখন আর আগের মতো নেই। যেকোনো প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে লড়াই করার সামর্থ্য অর্জন করেছে তারা। সর্বশেষ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হামজা ও শমিতরা সেই প্রমাণ দেখিয়েছেন। বর্তমান দলের যেকোনো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকেই চমকে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন এই কোচ।

শনিবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে থমাস ডুলি আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে আসিয়ান কাপে খেলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি জানান, আসিয়ান কাপে অংশ নিতে পারলে সেটি দলের জন্য দারুণ এক প্রস্তুতি হবে। তবে এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। কারণ সেখানে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া কিংবা মালয়েশিয়ার মতো শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে মাঠে নামতে হতে পারে লাল-সবুজ বাহিনীকে। আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের খেলার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত না হলেও, সেখানে অংশ নিলে দল অন্তত চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।

টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থান নিয়ে ডুলি বলেন, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবেই আন্ডারডগ হিসেবে খেলবে। তবে একে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তিনি। তাঁর মতে, আন্ডারডগ হওয়ায় প্রতিপক্ষের ওপর নিজেদের সেরা প্রমাণ করার বাড়তি চাপ থাকবে। অন্যদিকে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে কেবল মাঠে নিজেদের সেরাটা দিয়ে লড়াই করা। খেলোয়াড়রা যদি শারীরিকভাবে শতভাগ ফিট থাকে, তবে যেকোনো দলকেই চমকে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

তবে ঘরের মাঠের চেয়ে আসিয়ান কাপের ম্যাচগুলো জেতা অনেক বেশি কঠিন হবে বলে স্বীকার করেছেন প্রধান কোচ। তিনি উল্লেখ করেন, ঘরের মাঠে খেললে কঠিন ম্যাচের জন্য খেলোয়াড়দের মধ্যে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। বর্তমানে খেলোয়াড়দের প্রধান সমস্যা হিসেবে ফিটনেসের ঘাটতিকে চিহ্নিত করেছেন ডুলি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের মানদণ্ড অনুযায়ী, চার সপ্তাহের প্রাক-মৌসুম ফিটনেস ট্রেনিং এবং অন্তত ৫-৬টি ম্যাচ খেলার সুযোগ না থাকলে লড়াই করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। পেশাদার ফুটবলের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতিটি বেশ জটিল হলেও বিদ্যমান বাস্তবতার সঙ্গেই মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ দল।