লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই চুক্তি করতে পারা একটি বড় অর্জন। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাসের মাথায় এটি প্রথম সিইপিএ চুক্তি।

চুক্তির শর্তানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক, চামড়া ও পাটজাত পণ্য অন্যতম। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ৮৭ শতাংশ পণ্যের ওপর সুবিধা পাবে। কোরিয়া থেকে মূলত কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক ও বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে বাংলাদেশ সুবিধা লাভ করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। এই লক্ষ্য অর্জনে ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং প্রচুর বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। এই চুক্তির মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, ৫৬ বছর আগে টেক্সটাইল ব্যবসার হাত ধরে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে বিশ্ব পণ্য বহুমুখীকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং উভয় দেশকেও সেই ধারায় যুক্ত হতে হবে। বাংলাদেশের নতুন সরকার অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এবং প্রযুক্তি ও সাপ্লাইচেইন খাতে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও জকসু–ছাত্রশক্তির মধ্যে সংঘর্ষ

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই চুক্তি করতে পারা একটি বড় অর্জন। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাসের মাথায় এটি প্রথম সিইপিএ চুক্তি।

চুক্তির শর্তানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক, চামড়া ও পাটজাত পণ্য অন্যতম। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া তাদের ৮৭ শতাংশ পণ্যের ওপর সুবিধা পাবে। কোরিয়া থেকে মূলত কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক ও বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানিতে বাংলাদেশ সুবিধা লাভ করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। এই লক্ষ্য অর্জনে ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং প্রচুর বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। এই চুক্তির মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, ৫৬ বছর আগে টেক্সটাইল ব্যবসার হাত ধরে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে বিশ্ব পণ্য বহুমুখীকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং উভয় দেশকেও সেই ধারায় যুক্ত হতে হবে। বাংলাদেশের নতুন সরকার অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এবং প্রযুক্তি ও সাপ্লাইচেইন খাতে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।