লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ, থানায় এজাহার

গাইবান্ধার বাদিয়াখালী বাজারের এক ভাঙারি ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা সদর থানায় মো. ফরিদ মিয়া নামে এক ব্যবসায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছেন। তিনি ফুলছড়ি উপজেলার সিংড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। এজাহারে মো. ময়নুল ইসলাম (৩৪), প্রদীপ দাস পাপ্পু (৪৪) ও মো. মিঠু মিয়াকে (৩৮) আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর অভিযোগ, গত ২৯ জুলাই দুপুর ১টার দিকে অভিযুক্তরা বাদিয়াখালী বাজারের বাঁশহাটিতে তাঁর দোকানে উপস্থিত হন। তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দোকানে অবৈধ মালামাল থাকার অভিযোগ তোলেন এবং ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়। কোনো অবৈধ মালামাল না থাকায় ফরিদ মিয়া চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চাঁদা না পাওয়ার জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা দোকানের ভাঙারি মালামালের ভিডিও ধারণ করেন এবং মালামাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে নষ্ট করেন। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এরপর গত ৩ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে মো. মিঠু মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরিদ মিয়ার দোকানের নাম উল্লেখ করে চোরাই মালামাল মজুত থাকার মিথ্যা প্রতিবেদন প্রচার করা হয়।

ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়ার দাবি, এই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং প্রতিহিংসামূলক, যা তার ব্যবসায়িক সুনাম ও ব্যক্তিগত মানহানি ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, 'আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্যই আইনের আশ্রয় নিয়েছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা করছি।' গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, এজাহার পাওয়ার পর অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামলীতে টিনশেড বসতঘরে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ, থানায় এজাহার

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার বাদিয়াখালী বাজারের এক ভাঙারি ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা সদর থানায় মো. ফরিদ মিয়া নামে এক ব্যবসায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেছেন। তিনি ফুলছড়ি উপজেলার সিংড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। এজাহারে মো. ময়নুল ইসলাম (৩৪), প্রদীপ দাস পাপ্পু (৪৪) ও মো. মিঠু মিয়াকে (৩৮) আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর অভিযোগ, গত ২৯ জুলাই দুপুর ১টার দিকে অভিযুক্তরা বাদিয়াখালী বাজারের বাঁশহাটিতে তাঁর দোকানে উপস্থিত হন। তারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দোকানে অবৈধ মালামাল থাকার অভিযোগ তোলেন এবং ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়। কোনো অবৈধ মালামাল না থাকায় ফরিদ মিয়া চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চাঁদা না পাওয়ার জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা দোকানের ভাঙারি মালামালের ভিডিও ধারণ করেন এবং মালামাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে নষ্ট করেন। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এরপর গত ৩ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে মো. মিঠু মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরিদ মিয়ার দোকানের নাম উল্লেখ করে চোরাই মালামাল মজুত থাকার মিথ্যা প্রতিবেদন প্রচার করা হয়।

ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়ার দাবি, এই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং প্রতিহিংসামূলক, যা তার ব্যবসায়িক সুনাম ও ব্যক্তিগত মানহানি ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, 'আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্যই আইনের আশ্রয় নিয়েছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা করছি।' গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, এজাহার পাওয়ার পর অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।