লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় ১০ টাকার লাইটার ৫ হাজার, ফ্যান ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি

গাজায় বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে সাধারণ লাইটার বা বৈদ্যুতিক ফ্যানের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলোও মানুষের টিকে থাকার লড়াইয়ের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে ১০ টাকা মূল্যের একটি সাধারণ লাইটার এখন গাজায় প্রায় ৫ হাজার টাকায় (১২০ শেকেল বা ৪০ ডলার) বিক্রি হচ্ছে। রান্নার গ্যাস না থাকায় কাঠ বা কাগজ পুড়িয়ে রান্না করতে হয়, আর সেই আগুন জ্বালানোর জন্য লাইটার বর্তমানে আটা বা পানির মতোই অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

তীব্র দাবদাহে তাবুগুলো আগুনের মতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যেখানে টিকে থাকার জন্য একটি ফ্যান বা বৈদ্যুতিক পাখা সেখানে বড় ভরসার জায়গা। তবে বাজারে কোনো নতুন ফ্যান পাওয়া যাচ্ছে না এবং একটি পুরনো বা ভাঙাচোরা ফ্যানের দামও প্রায় ৫০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। ফ্যান না থাকায় মোহাম্মদ আবু এল এনালাইনের মতো অনেক বাবা তাদের সন্তানদের কাগজের টুকরো দিয়ে বাতাস করে বা গায়ে পানি ছিটিয়ে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় খাদ্য ও বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশে ইসরাইল কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। স্থানীয় কারিগরদের তথ্যমতে, গত তিন বছর ধরে গাজায় ফ্যানের কোনো নতুন মোটর বা যন্ত্রাংশ প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ফ্যান মেরামতের কারিগর মোহাম্মদ আবু আলওয়ান জানিয়েছেন, তারা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে পুরনো ফ্যান খুঁজে বের করে জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে বাতাসের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছেন।

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২৯আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ৩৫

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

গাজায় ১০ টাকার লাইটার ৫ হাজার, ফ্যান ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৫১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

গাজায় বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে সাধারণ লাইটার বা বৈদ্যুতিক ফ্যানের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলোও মানুষের টিকে থাকার লড়াইয়ের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে ১০ টাকা মূল্যের একটি সাধারণ লাইটার এখন গাজায় প্রায় ৫ হাজার টাকায় (১২০ শেকেল বা ৪০ ডলার) বিক্রি হচ্ছে। রান্নার গ্যাস না থাকায় কাঠ বা কাগজ পুড়িয়ে রান্না করতে হয়, আর সেই আগুন জ্বালানোর জন্য লাইটার বর্তমানে আটা বা পানির মতোই অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

তীব্র দাবদাহে তাবুগুলো আগুনের মতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যেখানে টিকে থাকার জন্য একটি ফ্যান বা বৈদ্যুতিক পাখা সেখানে বড় ভরসার জায়গা। তবে বাজারে কোনো নতুন ফ্যান পাওয়া যাচ্ছে না এবং একটি পুরনো বা ভাঙাচোরা ফ্যানের দামও প্রায় ৫০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। ফ্যান না থাকায় মোহাম্মদ আবু এল এনালাইনের মতো অনেক বাবা তাদের সন্তানদের কাগজের টুকরো দিয়ে বাতাস করে বা গায়ে পানি ছিটিয়ে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় খাদ্য ও বাণিজ্যিক পণ্য প্রবেশে ইসরাইল কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। স্থানীয় কারিগরদের তথ্যমতে, গত তিন বছর ধরে গাজায় ফ্যানের কোনো নতুন মোটর বা যন্ত্রাংশ প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ফ্যান মেরামতের কারিগর মোহাম্মদ আবু আলওয়ান জানিয়েছেন, তারা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে পুরনো ফ্যান খুঁজে বের করে জোড়াতালি দিয়ে কোনোমতে বাতাসের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছেন।

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২৯আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ৩৫