লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলবে সরকার

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, বর্তমান সরকারের ক্ষমতায়ন মূলত তারুণ্যের ক্ষমতায়নের ওপর নির্ভরশীল। বুধবার রাজধানীর মিরপুরে ‘আন্ডারপ্রিভিলেজড চিলড্রেনস এডুকেশনাল প্রোগ্রামস-ইউসেপ বাংলাদেশ’ আয়োজিত বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চান যেখানে তরুণদের মেধা, মননশীলতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে এবং পারিবারিক শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা হবে।

মাহ্দী আমিন জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় শিল্পখাত ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিক কোলাবরেশন’ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, সবার চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার লক্ষ্য না রেখে, দেশের চাহিদা ও শিক্ষার্থীর নিজস্ব আগ্রহ অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। সরকার বেসরকারি খাত, সরকারি খাত, বিদেশ এবং উদ্যোক্তা—এই চারটি ক্ষেত্রকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বর্তমানে দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা ২৩টি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেমের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। এর লক্ষ্য হলো এনএসডিএ-এর সনদকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত করা এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের কারিকুলাম ও মানের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করা। তিনি বলেন, তিন মাস বা ছয় মাসের স্বল্পমেয়াদি কোর্সের বিস্তৃতি ঘটানো হবে যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

ইউসেপ বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত হওয়া উৎসাহব্যঞ্জক। তবে এই মডেলটি সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও সমান সুযোগ পায়। মাহ্দী আমিন আরও উল্লেখ করেন, শ্রমিক বান্ধব এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং শ্রমিকদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ দেখা যায়নি। পরিশেষে তিনি বলেন, সরকারের ভূমিকা হবে নীতিগত সহায়তা প্রদান করা, আর বেসরকারি খাত হবে দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নতুন মহাপরিচালক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খান

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলবে সরকার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেছেন, বর্তমান সরকারের ক্ষমতায়ন মূলত তারুণ্যের ক্ষমতায়নের ওপর নির্ভরশীল। বুধবার রাজধানীর মিরপুরে ‘আন্ডারপ্রিভিলেজড চিলড্রেনস এডুকেশনাল প্রোগ্রামস-ইউসেপ বাংলাদেশ’ আয়োজিত বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চান যেখানে তরুণদের মেধা, মননশীলতা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে এবং পারিবারিক শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা হবে।

মাহ্দী আমিন জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় শিল্পখাত ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিক কোলাবরেশন’ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, সবার চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার লক্ষ্য না রেখে, দেশের চাহিদা ও শিক্ষার্থীর নিজস্ব আগ্রহ অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। সরকার বেসরকারি খাত, সরকারি খাত, বিদেশ এবং উদ্যোক্তা—এই চারটি ক্ষেত্রকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বর্তমানে দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা ২৩টি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেমের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। এর লক্ষ্য হলো এনএসডিএ-এর সনদকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত করা এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের কারিকুলাম ও মানের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করা। তিনি বলেন, তিন মাস বা ছয় মাসের স্বল্পমেয়াদি কোর্সের বিস্তৃতি ঘটানো হবে যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।

ইউসেপ বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত হওয়া উৎসাহব্যঞ্জক। তবে এই মডেলটি সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও সমান সুযোগ পায়। মাহ্দী আমিন আরও উল্লেখ করেন, শ্রমিক বান্ধব এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং শ্রমিকদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ দেখা যায়নি। পরিশেষে তিনি বলেন, সরকারের ভূমিকা হবে নীতিগত সহায়তা প্রদান করা, আর বেসরকারি খাত হবে দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তি।