লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানের চিবা প্রিফেকচারে নজিরবিহীন বৃষ্টি ও ভূমিধসে ৬ জনের মৃত্যু

জাপানের রাজধানী টোকিও সংলগ্ন চিবা প্রিফেকচারে নজিরবিহীন অতিবৃষ্টি ও ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে, কিওডো নিউজ এবং আসাহি পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন, যিনি নিজের গাড়িতে থাকা অবস্থায় প্লাবিত রাস্তায় ডুবে মারা যান। এছাড়া আরও দুজন রাস্তায় ভূমিধসের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া টোকিও’র নারিতা বিমানবন্দরে প্রায় ৭ হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর থেকে চিবা অঞ্চলে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা আগস্ট মাসের স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাতের প্রায় তিন গুণ। আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি জাপানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।

জাপানের আবহাওয়া দপ্তর এই পরিস্থিতির জন্য ভূখণ্ডের ওপর উষ্ণ-আর্দ্র বাতাস ও শীতল বাতাসের মিশ্রণে তৈরি চরম বায়ুমণ্ডলীয় অস্থিরতাকে দায়ী করেছে। চিবার গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, “জাপানের আবহাওয়ার ইতিহাসেই এটি এক চরম ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি। আমি অতীতে বহু দুর্যোগের মোকাবেলা করেছি, কিন্তু এই ধরনের অভিজ্ঞতা আমার আগে কখনো হয়নি।”

প্রশাসন বৃহস্পতিবার ভারী বর্ষণ ও ধসের আশঙ্কায় সর্বাধিক লেভেল-৫ জরুরি সতর্কতা জারি করেছিল। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে তা কমিয়ে লেভেল-৪-এ নামিয়ে আনা হলেও নদী উপচে প্লাবিত হওয়া এবং ভূমিধসের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কবার্তা এখনো বজায় রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপন চুক্তিতে বিয়ের পিঁড়িতে রোনালদো ও জর্জিনা

জাপানের চিবা প্রিফেকচারে নজিরবিহীন বৃষ্টি ও ভূমিধসে ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৫১:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

জাপানের রাজধানী টোকিও সংলগ্ন চিবা প্রিফেকচারে নজিরবিহীন অতিবৃষ্টি ও ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে, কিওডো নিউজ এবং আসাহি পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন, যিনি নিজের গাড়িতে থাকা অবস্থায় প্লাবিত রাস্তায় ডুবে মারা যান। এছাড়া আরও দুজন রাস্তায় ভূমিধসের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া টোকিও’র নারিতা বিমানবন্দরে প্রায় ৭ হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর থেকে চিবা অঞ্চলে প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা আগস্ট মাসের স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাতের প্রায় তিন গুণ। আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি জাপানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।

জাপানের আবহাওয়া দপ্তর এই পরিস্থিতির জন্য ভূখণ্ডের ওপর উষ্ণ-আর্দ্র বাতাস ও শীতল বাতাসের মিশ্রণে তৈরি চরম বায়ুমণ্ডলীয় অস্থিরতাকে দায়ী করেছে। চিবার গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, “জাপানের আবহাওয়ার ইতিহাসেই এটি এক চরম ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি। আমি অতীতে বহু দুর্যোগের মোকাবেলা করেছি, কিন্তু এই ধরনের অভিজ্ঞতা আমার আগে কখনো হয়নি।”

প্রশাসন বৃহস্পতিবার ভারী বর্ষণ ও ধসের আশঙ্কায় সর্বাধিক লেভেল-৫ জরুরি সতর্কতা জারি করেছিল। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে তা কমিয়ে লেভেল-৪-এ নামিয়ে আনা হলেও নদী উপচে প্লাবিত হওয়া এবং ভূমিধসের ঝুঁকি নিয়ে সতর্কবার্তা এখনো বজায় রয়েছে।