লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ আগস্ট থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের টাইফয়েড টিকা প্রদান শুরু

দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকি কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে ১৫ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০২৫ সালে জাতীয় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন সফলভাবে শেষ হওয়ার পর জাতীয় টিকাদান কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই কার্যক্রম নিয়মিত কর্মসূচিতে যুক্ত করা হলো।

নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব বিভাগীয় পরিচালক, সিভিল সার্জন, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। ১৫ মাস বয়সী শিশুদের ইপিআইয়ের স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র থেকে এই টিকা দেওয়া হবে। একই সেশনে এমআর-২ (গজ-২) টিকার সঙ্গে টাইফয়েড টিকা একযোগে প্রদান করা যাবে।

মাঠকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশু শনাক্তকরণ, টিকার চাহিদা নিরূপণ এবং নির্ধারিত সেশনে টিকাদান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জন্মনিবন্ধন সহজীকরণের জন্য উপজেলা পর্যায়ে সমন্বয় সভা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তথ্যের স্বচ্ছতার জন্য শিশুদের ভ্যাক্স : ইপিআই অ্যাপে নিবন্ধন, টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং স্মার্ট হেলথ্ বিডি বা ই-ট্র্যাকার অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য হালনাগাদ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানানো হয়েছে, নিয়মিত কর্মসূচিতে ৫ ডোজের ভায়াল ব্যবহার করা হবে এবং তা ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হবে। ভ্যাকসিনের অপচয় রোধে মাল্টিডোজ ভায়াল নীতিমালা অনুসরণ করে শর্তসাপেক্ষে খোলা ভায়াল পরবর্তী সেশনেও ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম এবং ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, মাইকিং ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কোম্পানীগঞ্জে স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়নের তোড়জোড়

১ আগস্ট থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের টাইফয়েড টিকা প্রদান শুরু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকি কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে (ইপিআই) বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে ১৫ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ২০২৫ সালে জাতীয় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন সফলভাবে শেষ হওয়ার পর জাতীয় টিকাদান কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই কার্যক্রম নিয়মিত কর্মসূচিতে যুক্ত করা হলো।

নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব বিভাগীয় পরিচালক, সিভিল সার্জন, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। ১৫ মাস বয়সী শিশুদের ইপিআইয়ের স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র থেকে এই টিকা দেওয়া হবে। একই সেশনে এমআর-২ (গজ-২) টিকার সঙ্গে টাইফয়েড টিকা একযোগে প্রদান করা যাবে।

মাঠকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশু শনাক্তকরণ, টিকার চাহিদা নিরূপণ এবং নির্ধারিত সেশনে টিকাদান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জন্মনিবন্ধন সহজীকরণের জন্য উপজেলা পর্যায়ে সমন্বয় সভা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তথ্যের স্বচ্ছতার জন্য শিশুদের ভ্যাক্স : ইপিআই অ্যাপে নিবন্ধন, টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং স্মার্ট হেলথ্ বিডি বা ই-ট্র্যাকার অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য হালনাগাদ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানানো হয়েছে, নিয়মিত কর্মসূচিতে ৫ ডোজের ভায়াল ব্যবহার করা হবে এবং তা ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হবে। ভ্যাকসিনের অপচয় রোধে মাল্টিডোজ ভায়াল নীতিমালা অনুসরণ করে শর্তসাপেক্ষে খোলা ভায়াল পরবর্তী সেশনেও ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম এবং ধর্মীয় ও কমিউনিটি নেতাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, মাইকিং ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে।