লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উলটো রথ টানার মধ্য দিয়ে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা

শুক্রবার ২৪ জুলাই উলটো রথ টানার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবটি নয় দিন ধরে চলে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, জগন্নাথ দেব হলেন জগতের অধীশ্বর, যার কৃপালাভ মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করে। এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই রথের ওপর প্রতিমা রেখে এই শোভাযাত্রা পালন করা হয়।

উৎসবের শেষ দিন উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির ও এর আশপাশের এলাকায় সকাল থেকেই ভক্তদের ঢল নামে। দিনব্যাপী নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে ছিল হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, ভাগবত পাঠ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ।

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি দুপুর ৩টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়। তিনটি সুবৃহৎ রথে শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা মহারাণীকে নিয়ে শোভাযাত্রাটি পলাশী মোড়, জাতীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, জাতীয় প্রেস ক্লাব, মতিঝিল, শাপলা চত্বর, দৈনিক ইত্তেফাক, রাজধানী সুপার মার্কেট ও দয়াগঞ্জ রোড হয়ে ইসকন স্বামীবাগ আশ্রমে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রাজুড়ে খোল-করতালের সুর ও হরিনাম সংকীর্তনের ধ্বনিতে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণে রাজধানীর রাজপথ হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। অনেক দর্শনার্থী রথে ফুল অর্পণ করে প্রার্থনা করেন এবং পুরো শোভাযাত্রাটি উপভোগ করেন। স্বামীবাগ আশ্রমে পৌঁছানোর পর দিনব্যাপী ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান-ওমান আলোচনার খবরে তেলের দাম হ্রাস

উলটো রথ টানার মধ্য দিয়ে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

শুক্রবার ২৪ জুলাই উলটো রথ টানার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবটি নয় দিন ধরে চলে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, জগন্নাথ দেব হলেন জগতের অধীশ্বর, যার কৃপালাভ মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করে। এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই রথের ওপর প্রতিমা রেখে এই শোভাযাত্রা পালন করা হয়।

উৎসবের শেষ দিন উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির ও এর আশপাশের এলাকায় সকাল থেকেই ভক্তদের ঢল নামে। দিনব্যাপী নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে ছিল হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, ভাগবত পাঠ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মহাপ্রসাদ বিতরণ।

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি দুপুর ৩টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়। তিনটি সুবৃহৎ রথে শ্রীশ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা মহারাণীকে নিয়ে শোভাযাত্রাটি পলাশী মোড়, জাতীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, জাতীয় প্রেস ক্লাব, মতিঝিল, শাপলা চত্বর, দৈনিক ইত্তেফাক, রাজধানী সুপার মার্কেট ও দয়াগঞ্জ রোড হয়ে ইসকন স্বামীবাগ আশ্রমে গিয়ে শেষ হয়।

শোভাযাত্রাজুড়ে খোল-করতালের সুর ও হরিনাম সংকীর্তনের ধ্বনিতে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণে রাজধানীর রাজপথ হয়ে ওঠে উৎসবমুখর। অনেক দর্শনার্থী রথে ফুল অর্পণ করে প্রার্থনা করেন এবং পুরো শোভাযাত্রাটি উপভোগ করেন। স্বামীবাগ আশ্রমে পৌঁছানোর পর দিনব্যাপী ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ভক্তদের মাঝে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।