লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও সাইবার অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি, আদালতে মামলা

জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও সাইবার অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি, আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর ৩ নং সগুনা ইউনিয়নের লালুয়া মৌজার মাঝিরা আরএস ৫৭৩ দাগের ১০১ শতাংশ জমি নিয়ে সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে আব্দুল হালিম খন্দকারের পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবার জমি জবরদখলের হুমকি, চাঁদা দাবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ এনে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

বিরোধের সূত্রপাত:

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উল্লিখিত ১০১ শতাংশ জমির মালিকানা ও নামজারি নিয়ে প্রতিবেশী রেজাউল করিম, আবু জাফর ও জসিম উদ্দিন কবিরের সঙ্গে আব্দুল হালিম খন্দকারের পরিবারের বিরোধ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ রয়েছে, জমি বিক্রয় ও হস্তান্তর সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং মৃত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে পরবর্তীতে দলিল সম্পাদনের মতো গুরুতর জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে আব্দুল হালিম খন্দকারের পরিবার আইনগত আপত্তি তুলেছেন।

অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ:

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, এই বিরোধের জের ধরে আব্দুল হালিম খন্দকারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের মাধ্যমে আব্দুল হালিম খন্দকারের পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি অভিযুক্ত পক্ষ থেকে “হালিম খন্দকারের সন্তানদের কোনো জমি দেওয়া হবে না” মর্মে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

আইনি পদক্ষেপ:

আব্দুল হালিম খন্দকারের ছেলে মো. শামসুজ্জোহা জানান, এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে তারা নিরাপত্তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এছাড়া সাইবার অপরাধের মাধ্যমে মানহানির ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর আগে, ভূমি প্রতিকার আইন ২০২৩-এর ৬ ধারা অনুযায়ী দখল ও রেকর্ড সংশোধন সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

বিপরীত বক্তব্য:

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায়নি।

তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত এই বিরোধ ও পাল্টাপাল্টি আইনি প্রক্রিয়ার কারণে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, যা স্থানীয় জনমনেও অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার, শুরু হলো প্রশাসনিক কার্যক্রম

জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও সাইবার অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি, আদালতে মামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:২২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও সাইবার অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি, আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পটুয়াখালীর ৩ নং সগুনা ইউনিয়নের লালুয়া মৌজার মাঝিরা আরএস ৫৭৩ দাগের ১০১ শতাংশ জমি নিয়ে সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে আব্দুল হালিম খন্দকারের পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবার জমি জবরদখলের হুমকি, চাঁদা দাবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ এনে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

বিরোধের সূত্রপাত:

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উল্লিখিত ১০১ শতাংশ জমির মালিকানা ও নামজারি নিয়ে প্রতিবেশী রেজাউল করিম, আবু জাফর ও জসিম উদ্দিন কবিরের সঙ্গে আব্দুল হালিম খন্দকারের পরিবারের বিরোধ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ রয়েছে, জমি বিক্রয় ও হস্তান্তর সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং মৃত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে পরবর্তীতে দলিল সম্পাদনের মতো গুরুতর জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে আব্দুল হালিম খন্দকারের পরিবার আইনগত আপত্তি তুলেছেন।

অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ:

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, এই বিরোধের জের ধরে আব্দুল হালিম খন্দকারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের মাধ্যমে আব্দুল হালিম খন্দকারের পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি অভিযুক্ত পক্ষ থেকে “হালিম খন্দকারের সন্তানদের কোনো জমি দেওয়া হবে না” মর্মে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

আইনি পদক্ষেপ:

আব্দুল হালিম খন্দকারের ছেলে মো. শামসুজ্জোহা জানান, এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে তারা নিরাপত্তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। এছাড়া সাইবার অপরাধের মাধ্যমে মানহানির ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর আগে, ভূমি প্রতিকার আইন ২০২৩-এর ৬ ধারা অনুযায়ী দখল ও রেকর্ড সংশোধন সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

বিপরীত বক্তব্য:

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায়নি।

তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত এই বিরোধ ও পাল্টাপাল্টি আইনি প্রক্রিয়ার কারণে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, যা স্থানীয় জনমনেও অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।