লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কে-পপের নতুন মহোৎসব ‘ফ্যানোমেনন’ আয়োজন করছে দক্ষিণ কোরিয়ার চার প্রতিষ্ঠান

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার লক্ষ্যে নতুন এক মহোৎসবের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কোরিয়ার চার শীর্ষ বিনোদন প্রতিষ্ঠান হাইব, এসএম এন্টারটেইনমেন্ট, জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট ও ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট যৌথভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ফ্যানোমেনন’ নামের এক বিশাল সংগীত উৎসব। দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব ‘কোচেলা’ হিসেবে পরিচিতি পেতে যাওয়া এই উৎসবটি ১১ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই উৎসবটি ২০২৭ সালের ২ থেকে ১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের মূল অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণীর জন্য সিউলের চ্যাংদং এলাকায় নির্মাণাধীন নতুন সিউল অ্যারেনাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। শুধু সিউলেই নয়, গয়াংয়ের কিনটেক্স-এও বিভিন্ন প্রদর্শনী ও আয়োজনের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে গেমিং, ওয়েবটুন, সৌন্দর্যচর্চা ও খাবারসহ কোরিয়ান সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে, যা উৎসবটিকে একাধিক শহরজুড়ে বিস্তৃত করবে।

‘ফ্যানোমেনন’ নামটি ‘ফ্যান’ ও ‘ফেনোমেনন’ এই দুই শব্দের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে হ্যালিউ সংস্কৃতির বিস্তারে ভক্তদের অবদানকে গুরুত্ব দেয়। প্রচলিত পুরস্কার অনুষ্ঠানের চেয়ে ভিন্নভাবে সাজানো এই উৎসবে ট্রফি দেওয়া হবে ফ্যানডম বা ভক্তদের কেন্দ্র করে। একটি বিশেষ কমিটি ১০টি নির্বাচিত ফ্যান কমিউনিটিকে মূল্যায়ন করে সবচেয়ে নিবেদিত ফ্যানবেসকে ‘ফ্যানডেমোনিয়াম’ খেতাব দেবে। শিল্পীরা তাদের ভক্তদের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন। তবে ফ্যানডম বাছাইয়ের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

সিউলের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব মডার্ন অ্যান্ড কনটেম্পোরারি আর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্যোগের বিস্তারিত জানানো হয়। দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সমর্থনপুষ্ট এই আয়োজনে দেশটির জনপ্রিয় সংস্কৃতি বিনিময়বিষয়ক প্রেসিডেন্সিয়াল কমিটির ভূমিকা রয়েছে। কমিটির সহসভাপতি এবং জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা জেওয়াই পার্ক সংস্কৃতিমন্ত্রী চে হুই-ইয়ংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কোরিয়ান সংস্কৃতির বর্তমান বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে এবং তরুণ ভক্তদের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় করতে এই উৎসব বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

যান্ত্রিক ত্রুটিতে ফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট

কে-পপের নতুন মহোৎসব ‘ফ্যানোমেনন’ আয়োজন করছে দক্ষিণ কোরিয়ার চার প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার লক্ষ্যে নতুন এক মহোৎসবের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কোরিয়ার চার শীর্ষ বিনোদন প্রতিষ্ঠান হাইব, এসএম এন্টারটেইনমেন্ট, জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট ও ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্ট যৌথভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ফ্যানোমেনন’ নামের এক বিশাল সংগীত উৎসব। দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব ‘কোচেলা’ হিসেবে পরিচিতি পেতে যাওয়া এই উৎসবটি ১১ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই উৎসবটি ২০২৭ সালের ২ থেকে ১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের মূল অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণীর জন্য সিউলের চ্যাংদং এলাকায় নির্মাণাধীন নতুন সিউল অ্যারেনাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। শুধু সিউলেই নয়, গয়াংয়ের কিনটেক্স-এও বিভিন্ন প্রদর্শনী ও আয়োজনের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে গেমিং, ওয়েবটুন, সৌন্দর্যচর্চা ও খাবারসহ কোরিয়ান সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে, যা উৎসবটিকে একাধিক শহরজুড়ে বিস্তৃত করবে।

‘ফ্যানোমেনন’ নামটি ‘ফ্যান’ ও ‘ফেনোমেনন’ এই দুই শব্দের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে হ্যালিউ সংস্কৃতির বিস্তারে ভক্তদের অবদানকে গুরুত্ব দেয়। প্রচলিত পুরস্কার অনুষ্ঠানের চেয়ে ভিন্নভাবে সাজানো এই উৎসবে ট্রফি দেওয়া হবে ফ্যানডম বা ভক্তদের কেন্দ্র করে। একটি বিশেষ কমিটি ১০টি নির্বাচিত ফ্যান কমিউনিটিকে মূল্যায়ন করে সবচেয়ে নিবেদিত ফ্যানবেসকে ‘ফ্যানডেমোনিয়াম’ খেতাব দেবে। শিল্পীরা তাদের ভক্তদের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন। তবে ফ্যানডম বাছাইয়ের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

সিউলের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব মডার্ন অ্যান্ড কনটেম্পোরারি আর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্যোগের বিস্তারিত জানানো হয়। দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সমর্থনপুষ্ট এই আয়োজনে দেশটির জনপ্রিয় সংস্কৃতি বিনিময়বিষয়ক প্রেসিডেন্সিয়াল কমিটির ভূমিকা রয়েছে। কমিটির সহসভাপতি এবং জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা জেওয়াই পার্ক সংস্কৃতিমন্ত্রী চে হুই-ইয়ংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কোরিয়ান সংস্কৃতির বর্তমান বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে এবং তরুণ ভক্তদের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় করতে এই উৎসব বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।