লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, অস্বস্তিতে সাধারণ ক্রেতারা

রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও চড়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজি এখনও ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, এমনকি কিছু সবজির দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। টমেটো, গাজর, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতার বাড়তি দর নিত্যদিনের কেনাকাটায় ক্রেতাদের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।

যাত্রাবাড়ী আড়তে ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো থাকলেও অনেকেই পছন্দের সবজি পরিমাণে কম কিনছেন। বাজার করতে আসা রফিকুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কয়েক পদের এক কেজি করে সবজি কিনতেই পকেট থেকে ৫০০-৬০০ টাকা খসে যাচ্ছে। মাছ-মাংসের তো কথাই নেই, এখন সবজি কেনাই কঠিন হয়ে পড়েছে। দু-একটি পণ্যের দাম কমলেও সিংহভাগ সবজিই ৮০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।’ বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি আড়তে দাম বেশি হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন খরচ, শ্রমিকের মজুরি এবং সবজি নষ্ট হওয়ার লোকসান খুচরা বাজারে প্রভাব ফেলছে।

এদিকে মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের ২০০ টাকার তুলনায় কিছুটা কমে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বাজারেও দামের অস্থিরতা বজায় রয়েছে। পাঙাশ মাছ ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা এবং ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছের দাম হাজার টাকার উপরে রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আবহাওয়া ও সরবরাহের তারতম্যের কারণে সবজি ও মাছের দামে এই ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যান্ত্রিক ত্রুটিতে ফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, অস্বস্তিতে সাধারণ ক্রেতারা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৭:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও চড়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজি এখনও ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, এমনকি কিছু সবজির দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। টমেটো, গাজর, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতার বাড়তি দর নিত্যদিনের কেনাকাটায় ক্রেতাদের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।

যাত্রাবাড়ী আড়তে ক্রেতাদের উপস্থিতি ভালো থাকলেও অনেকেই পছন্দের সবজি পরিমাণে কম কিনছেন। বাজার করতে আসা রফিকুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কয়েক পদের এক কেজি করে সবজি কিনতেই পকেট থেকে ৫০০-৬০০ টাকা খসে যাচ্ছে। মাছ-মাংসের তো কথাই নেই, এখন সবজি কেনাই কঠিন হয়ে পড়েছে। দু-একটি পণ্যের দাম কমলেও সিংহভাগ সবজিই ৮০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।’ বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি আড়তে দাম বেশি হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন খরচ, শ্রমিকের মজুরি এবং সবজি নষ্ট হওয়ার লোকসান খুচরা বাজারে প্রভাব ফেলছে।

এদিকে মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের ২০০ টাকার তুলনায় কিছুটা কমে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বাজারেও দামের অস্থিরতা বজায় রয়েছে। পাঙাশ মাছ ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা এবং ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছের দাম হাজার টাকার উপরে রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আবহাওয়া ও সরবরাহের তারতম্যের কারণে সবজি ও মাছের দামে এই ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে।