লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিহারের বন্যা নিয়ন্ত্রণে ফারাক্কার সব গেট খোলার আহ্বান

ভারতের বিহার রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। গঙ্গার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সৃষ্ট বন্যা নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ জরুরি বলে দাবি করেছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৩ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলে এই অনুরোধ জানান সম্রাট চৌধুরী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জানান, গঙ্গার পানি বেড়ে যাওয়ায় বিহারের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দিয়ে পানির প্রবাহ বৃদ্ধির অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। সম্রাট চৌধুরীর ভাষ্যমতে, শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। বিহারের নিরাপত্তা বর্তমানে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিহারের জনতা দল-ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝা। তিনি দাবি করেন, ১৯৯৬ সালে চুক্তিটি করার সময় বিহারের স্বার্থকে অবহেলা করা হয়েছিল। আগামী ডিসেম্বরে এই চুক্তির ৩০ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে। সঞ্জয় ঝা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিহারের স্বার্থ নিশ্চিত না করে যেন এই চুক্তি নবায়ন করা না হয়।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। ১৯৯৬ সালের চুক্তির মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানি বণ্টন নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে অনেক আলোচনা হলেও এখনো কোনো সমাধান আসেনি। ২০১১ সালে তিস্তার পানির ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ভারত এবং ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাংলাদেশকে দেয়ার একটি প্রস্তাব করা হয়েছিল, তবে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধিতার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

বিহারের বন্যা নিয়ন্ত্রণে ফারাক্কার সব গেট খোলার আহ্বান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের বিহার রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। গঙ্গার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সৃষ্ট বন্যা নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ জরুরি বলে দাবি করেছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৩ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে কথা বলে এই অনুরোধ জানান সম্রাট চৌধুরী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জানান, গঙ্গার পানি বেড়ে যাওয়ায় বিহারের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দিয়ে পানির প্রবাহ বৃদ্ধির অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। সম্রাট চৌধুরীর ভাষ্যমতে, শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। বিহারের নিরাপত্তা বর্তমানে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিহারের জনতা দল-ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝা। তিনি দাবি করেন, ১৯৯৬ সালে চুক্তিটি করার সময় বিহারের স্বার্থকে অবহেলা করা হয়েছিল। আগামী ডিসেম্বরে এই চুক্তির ৩০ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে। সঞ্জয় ঝা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিহারের স্বার্থ নিশ্চিত না করে যেন এই চুক্তি নবায়ন করা না হয়।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। ১৯৯৬ সালের চুক্তির মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানি বণ্টন নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে অনেক আলোচনা হলেও এখনো কোনো সমাধান আসেনি। ২০১১ সালে তিস্তার পানির ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ভারত এবং ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাংলাদেশকে দেয়ার একটি প্রস্তাব করা হয়েছিল, তবে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধিতার কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।