লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি ‘অর্থনৈতিক আক্রমণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একইসঙ্গে ওয়াশিংটন হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যারা ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদেরও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ওয়াশিংটনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্কট বেসেন্ট জানান, তেহরানের আর্থিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাই এই নতুন নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেশটির টিকে থাকার সব পথ বন্ধ করতে চায়।

নতুন এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের অর্থনীতির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো—ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল এবং নৌপরিবহন। পাশাপাশি প্রায় ৬০ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর এই বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো দেশই এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে না। ইরানের তেল পাচার রোধ এবং নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্ক, মধ্যস্থতাকারী ও আর্থিক চ্যানেলগুলো শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশেষ করে ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীনকে এই নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে বিশেষ নজরে রাখা হয়েছে। তবে চীনা ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন স্পষ্ট কিছু জানায়নি। বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগ করে আন্তর্জাতিক বিরোধের সমাধান সম্ভব নয়। চীন নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও জানিয়েছে।

এদিকে, ওয়াশিংটনের এই নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ‘ব্যর্থ’ বলে মন্তব্য করেছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন চাপের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে এবং এর আগে তারা এই ধরনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘ধ্বংসাত্মক’ প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি ‘অর্থনৈতিক আক্রমণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একইসঙ্গে ওয়াশিংটন হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যারা ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তাদেরও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ওয়াশিংটনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্কট বেসেন্ট জানান, তেহরানের আর্থিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাই এই নতুন নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেশটির টিকে থাকার সব পথ বন্ধ করতে চায়।

নতুন এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের অর্থনীতির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো—ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল এবং নৌপরিবহন। পাশাপাশি প্রায় ৬০ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর এই বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো দেশই এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে না। ইরানের তেল পাচার রোধ এবং নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্ক, মধ্যস্থতাকারী ও আর্থিক চ্যানেলগুলো শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশেষ করে ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চীনকে এই নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে বিশেষ নজরে রাখা হয়েছে। তবে চীনা ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন স্পষ্ট কিছু জানায়নি। বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগ করে আন্তর্জাতিক বিরোধের সমাধান সম্ভব নয়। চীন নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও জানিয়েছে।

এদিকে, ওয়াশিংটনের এই নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ‘ব্যর্থ’ বলে মন্তব্য করেছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন চাপের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে এবং এর আগে তারা এই ধরনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘ধ্বংসাত্মক’ প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিল।