লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসের কূপের সন্ধান, মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ’ খননকাজ শেষে গ্যাসের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) মঙ্গলবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত ২৮ জুলাই কূপটির খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি (মেজারমেন্ট হোয়াইল ড্রিলিং) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কূপটি ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) বা পরীক্ষামূলক পর্যবেক্ষণ চলছে। সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক মঙ্গলবার রাতে জানান, আগামী দুই থেকে তিন দিন এই পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা সম্পন্ন হলে কূপটিতে মোট কী পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে এবং কী পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ (৭ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে দুই পক্ষের হাতাহাতি, লাঞ্ছিত সাখাওয়াত

নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসের কূপের সন্ধান, মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ’ খননকাজ শেষে গ্যাসের অস্তিত্ব নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) মঙ্গলবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত ২৮ জুলাই কূপটির খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিউডি (মেজারমেন্ট হোয়াইল ড্রিলিং) প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কূপটি ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীর পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) বা পরীক্ষামূলক পর্যবেক্ষণ চলছে। সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক মঙ্গলবার রাতে জানান, আগামী দুই থেকে তিন দিন এই পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা সম্পন্ন হলে কূপটিতে মোট কী পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে এবং কী পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ (৭ মিলিয়ন) ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।