লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জন্মশহরে শায়িত হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ পর্যন্ত তার জন্মশহর মাশহাদে সমাহিত করা হয়েছে। আল-জাজিরা অনলাইনের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন সম্পন্ন হয়।

দাফনের আগে মাশহাদের জনাকীর্ণ রাস্তা দিয়ে ট্রাকে করে ধীরে ধীরে খামেনির মরদেহ ইমাম রেজার মাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় শোকাহত জনতাকে কালো পোশাকে অংশ নিতে দেখা যায়। তাদের হাতে ছিল ইরানের পতাকা, প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতি এবং বিপ্লবী স্লোগান সম্বলিত লাল প্ল্যাকার্ড।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিন পরিবারের সদস্যদের সাথে এক হামলায় খামেনি নিহত হন। যুদ্ধের পরিস্থিতির কারণে ঘটনার পরপরই তার জানাজা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ইরান সরকার সপ্তাহব্যাপী গণ জানাজা মিছিলের আয়োজন করে। তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মরদেহ ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে প্রদর্শন করা হয় এবং সবশেষে তা মাশহাদে আনা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান-ওমান আলোচনার খবরে তেলের দাম হ্রাস

জন্মশহরে শায়িত হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ পর্যন্ত তার জন্মশহর মাশহাদে সমাহিত করা হয়েছে। আল-জাজিরা অনলাইনের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন সম্পন্ন হয়।

দাফনের আগে মাশহাদের জনাকীর্ণ রাস্তা দিয়ে ট্রাকে করে ধীরে ধীরে খামেনির মরদেহ ইমাম রেজার মাজারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় শোকাহত জনতাকে কালো পোশাকে অংশ নিতে দেখা যায়। তাদের হাতে ছিল ইরানের পতাকা, প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতি এবং বিপ্লবী স্লোগান সম্বলিত লাল প্ল্যাকার্ড।

এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিন পরিবারের সদস্যদের সাথে এক হামলায় খামেনি নিহত হন। যুদ্ধের পরিস্থিতির কারণে ঘটনার পরপরই তার জানাজা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ইরান সরকার সপ্তাহব্যাপী গণ জানাজা মিছিলের আয়োজন করে। তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মরদেহ ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে প্রদর্শন করা হয় এবং সবশেষে তা মাশহাদে আনা হয়।