লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ

তুরস্কের সঙ্গে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তুরস্কের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক এফটিএ নিয়ে চলমান আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আগামীতে তার তুরস্ক সফরের সময় দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর জোর দেন। এ ছাড়া ফল আমদানিতে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে তুরস্কের ফল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য ও পরিচিতি চেয়েছেন বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ, যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

বৈঠকে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। তুরস্কের বিশেষায়িত ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) ব্যবস্থা ব্যবহার করে বর্জ্য পরিশোধন ও নিরাপদ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চামড়া শিল্প প্রসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত কারণে দেশটিতে ট্যানারি ও চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম কমেছে, যার ফলে সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বেড়েছে।

এ ছাড়া রাষ্ট্রদূত কমসেকের অধীনে আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন, ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট এবং হালাল এক্সপোতে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাণিজ্যমন্ত্রী কমসেকের মূল সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং পরবর্তী সম্মেলনগুলোতে অন্যান্য প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। বৈঠকে শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকনমিক কাউন্সিলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিনের জামিন

তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

তুরস্কের সঙ্গে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তুরস্কের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক এফটিএ নিয়ে চলমান আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আগামীতে তার তুরস্ক সফরের সময় দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর জোর দেন। এ ছাড়া ফল আমদানিতে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে তুরস্কের ফল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য ও পরিচিতি চেয়েছেন বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ, যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

বৈঠকে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। তুরস্কের বিশেষায়িত ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) ব্যবস্থা ব্যবহার করে বর্জ্য পরিশোধন ও নিরাপদ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চামড়া শিল্প প্রসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত কারণে দেশটিতে ট্যানারি ও চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম কমেছে, যার ফলে সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বেড়েছে।

এ ছাড়া রাষ্ট্রদূত কমসেকের অধীনে আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন, ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট এবং হালাল এক্সপোতে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাণিজ্যমন্ত্রী কমসেকের মূল সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং পরবর্তী সম্মেলনগুলোতে অন্যান্য প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। বৈঠকে শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকনমিক কাউন্সিলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।