লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজারে মোবাইল চুরির জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নৈনগাঁও গ্রামে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার রাতে। ওই রাতে পশ্চিম নৈনগাঁও গ্রামের জব্বার আলীর বাড়িতে সিঁধ কেটে চোরেরা তিনটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় একই গ্রামের আব্দুল মছব্বিরের ছেলে শালনীনকে সন্দেহ করে তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁকে আটক করে মারধর করেন। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ মোবাইল চুরির ঘটনায় কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় শালনীনকে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতে পাঠায়।

শনিবার দুপুরে জব্বার আলীর চাচা রফিক আলী ও তাঁর ছেলে আলামিন, আব্দুল মছব্বিরের ভাই সেলিম আহমেদকে ধরে আনতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সেলিম আহমেদকে রামদা দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর সেলিম আহমেদের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানিয়েছেন, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তবে বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করেনি। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণ করলেন সহশিল্পী মৌসুমী

দোয়ারাবাজারে মোবাইল চুরির জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নৈনগাঁও গ্রামে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার রাতে। ওই রাতে পশ্চিম নৈনগাঁও গ্রামের জব্বার আলীর বাড়িতে সিঁধ কেটে চোরেরা তিনটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় একই গ্রামের আব্দুল মছব্বিরের ছেলে শালনীনকে সন্দেহ করে তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁকে আটক করে মারধর করেন। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ মোবাইল চুরির ঘটনায় কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় শালনীনকে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালতে পাঠায়।

শনিবার দুপুরে জব্বার আলীর চাচা রফিক আলী ও তাঁর ছেলে আলামিন, আব্দুল মছব্বিরের ভাই সেলিম আহমেদকে ধরে আনতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সেলিম আহমেদকে রামদা দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর সেলিম আহমেদের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানিয়েছেন, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তবে বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করেনি। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।