লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্লাইদুবাইয়ের ককপিটে পাইলটদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তাবুকে জরুরি অবতরণ

আকাশে ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক বিমানের ককপিটের ভেতর দুই পাইলটের মধ্যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বিমানের ১৮০ জন যাত্রীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের মধ্য থেকে কয়েকজন পেশাদার পাইলট এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করান।

‘টাইমস অফ ইসরাইল’ ও ‘চ্যানেল ১২’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুবাই থেকে ইসরাইলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ‘এফজেড ১০৭৩’ ফ্লাইটটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন। ওমানের নাগরিক ওই দুই পাইলট ওড়ার কিছু সময় পরই তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন, যা দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে এক পাইলট অপরজনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ককপিটের ভেতরে ধস্তাধস্তির আওয়াজ ও চিৎকার শুনে এক যাত্রী দরজা খুলে দেখেন, এক পাইলট মেঝেতে পড়ে আছেন এবং চারপাশ রক্তে ভেসে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হামলাকারী পাইলট এই ধস্তাধস্তির মধ্যেই বিমানটিকে ক্র্যাশ বা ধ্বংস করার চেষ্টা করেন এবং আত্মহত্যার হুমকিও দেন। অন্য পাইলট তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এই ধস্তাধস্তির কারণে বিমানটি মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ককপিট থেকে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে প্রথমে জরুরি অবস্থার কোড ‘৭৭০০’ এবং পরবর্তীতে বিমান ছিনতাই বা অবৈধ হস্তক্ষেপের সংকেত ‘৭৫০০’ পাঠানো হয়। ইসরায়েলের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই সময় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে ২০০১ সালের আমেরিকার ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার’ হামলার মতো ভয়াবহ কিছু ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

বিমানটি নিরাপদে মাটিতে নামার পর যাত্রীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন এবং অনেকে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। ঘটনার একটি ভিডিও এরইমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। ইসরাইলি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে জানিয়েছে, এটি কোনো পরিকল্পিত ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল না, বরং ককপিটের ভেতরে পাইলটদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ফল।

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ২৯আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৩৫

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়লো প্রতি লিটারে প্রায় ১২ টাকা

ফ্লাইদুবাইয়ের ককপিটে পাইলটদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তাবুকে জরুরি অবতরণ

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:০১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আকাশে ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক বিমানের ককপিটের ভেতর দুই পাইলটের মধ্যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বিমানের ১৮০ জন যাত্রীর মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের মধ্য থেকে কয়েকজন পেশাদার পাইলট এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করান।

‘টাইমস অফ ইসরাইল’ ও ‘চ্যানেল ১২’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুবাই থেকে ইসরাইলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ‘এফজেড ১০৭৩’ ফ্লাইটটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন। ওমানের নাগরিক ওই দুই পাইলট ওড়ার কিছু সময় পরই তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন, যা দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে এক পাইলট অপরজনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ককপিটের ভেতরে ধস্তাধস্তির আওয়াজ ও চিৎকার শুনে এক যাত্রী দরজা খুলে দেখেন, এক পাইলট মেঝেতে পড়ে আছেন এবং চারপাশ রক্তে ভেসে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হামলাকারী পাইলট এই ধস্তাধস্তির মধ্যেই বিমানটিকে ক্র্যাশ বা ধ্বংস করার চেষ্টা করেন এবং আত্মহত্যার হুমকিও দেন। অন্য পাইলট তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এই ধস্তাধস্তির কারণে বিমানটি মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে ১৭ হাজার ফুট নিচে নেমে আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ককপিট থেকে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে প্রথমে জরুরি অবস্থার কোড ‘৭৭০০’ এবং পরবর্তীতে বিমান ছিনতাই বা অবৈধ হস্তক্ষেপের সংকেত ‘৭৫০০’ পাঠানো হয়। ইসরায়েলের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই সময় পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে ২০০১ সালের আমেরিকার ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার’ হামলার মতো ভয়াবহ কিছু ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

বিমানটি নিরাপদে মাটিতে নামার পর যাত্রীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন এবং অনেকে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। ঘটনার একটি ভিডিও এরইমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। ইসরাইলি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে জানিয়েছে, এটি কোনো পরিকল্পিত ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল না, বরং ককপিটের ভেতরে পাইলটদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ফল।

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ২৯আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ৩৫