লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সাক্ষাৎ

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশটিতে সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। একইসঙ্গে মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে তার এই সফরের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠককালে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। সেই সঙ্গে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, শিক্ষা খাতে সুযোগ তৈরি এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধাসমূহকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় পক্ষই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৪৭:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশটিতে সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। একইসঙ্গে মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে তার এই সফরের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠককালে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। সেই সঙ্গে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, শিক্ষা খাতে সুযোগ তৈরি এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধাসমূহকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় পক্ষই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।