লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিএমসি ডে-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান

শনিবার সকাল ১০টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে যান। ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় এই হোস্টেলেই থাকতেন।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে যখন জুবাইদা রহমানকে মেডিকেলে নিয়ে আসতেন, তখন তাকে গাড়ির সামনের সিটে নিজের পাশে বসিয়ে আনতেন। আজও আসার পথে তিনি ডা. জুবাইদা রহমানকে সামনের সিটে বসিয়েই শিক্ষার্থীদের মাঝে নিয়ে এসেছেন। হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমানকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন।

নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, এই ক্যাম্পাসে তাঁর জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত থাকবেই, তবে মনের ভেতর কোনো রাগ বা ক্ষোভ পুষে না রেখে সর্বদা সামনের দিকে তাকাতে হবে। তিনি আরও বলেন, মেডিকেল কলেজকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে যেন সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে এবং একদিন এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে সবাই গর্ব করতে পারে।

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিনি দোয়া করেন যেন তারা নিজ নিজ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা সেলফি তুলে আনন্দঘন মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

ডিএমসি ডে-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

শনিবার সকাল ১০টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে যান। ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় এই হোস্টেলেই থাকতেন।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে যখন জুবাইদা রহমানকে মেডিকেলে নিয়ে আসতেন, তখন তাকে গাড়ির সামনের সিটে নিজের পাশে বসিয়ে আনতেন। আজও আসার পথে তিনি ডা. জুবাইদা রহমানকে সামনের সিটে বসিয়েই শিক্ষার্থীদের মাঝে নিয়ে এসেছেন। হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমানকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন।

নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, এই ক্যাম্পাসে তাঁর জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত থাকবেই, তবে মনের ভেতর কোনো রাগ বা ক্ষোভ পুষে না রেখে সর্বদা সামনের দিকে তাকাতে হবে। তিনি আরও বলেন, মেডিকেল কলেজকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে যেন সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে এবং একদিন এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে সবাই গর্ব করতে পারে।

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিনি দোয়া করেন যেন তারা নিজ নিজ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা সেলফি তুলে আনন্দঘন মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখেন।