লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা তৃতীয়বার বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ

মাঠের পারফরম্যান্সে শিরোপার খরা থাকলেও ব্যবসায়িক সাফল্যের দিক থেকে রিয়াল মাদ্রিদ বর্তমানে এক অনন্য উচ্চতায় অবস্থান করছে। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড মূল্যায়ন সংস্থা ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ২০২৬ সালের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল ক্লাব ব্র্যান্ডের মুকুট তাদের দখলেই রইল। ক্লাবটির ব্র্যান্ড মূল্য এক বছরে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৪০ কোটি ইউরো বা ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাণিজ্যিক ফুটবলে রিয়ালের এই আধিপত্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে তাদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের পুনর্নির্মাণ। সংস্কার শেষে পূর্ণ সক্ষমতায় স্টেডিয়ামটি ব্যবহারের প্রথম বছরেই ম্যাচ-ডে টিকিট, আতিথেয়তা, জাদুঘর ভ্রমণ ও পর্যটন থেকে ক্লাবটি ১২০ কোটি ইউরোর রেকর্ড রাজস্ব আয় করেছে। এছাড়া কিলিয়ান এমবাপ্পে, জুড বেলিংহাম ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো মহাতারকাদের উপস্থিতি এবং বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের সমর্থন ক্লাবটিকে বাণিজ্যিক চূড়ায় বসিয়ে রেখেছে।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা এফসি বার্সেলোনার ব্র্যান্ড মূল্য ১৫ শতাংশ বেড়ে ২০০ কোটি ইউরোতে পৌঁছেছে। কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জয় এবং ক্যাম্প ন্যুতে দর্শকদের ফেরা তাদের রাজস্ব বাড়াতে সহায়তা করেছে। এদিকে ২০২৬ সালের র‍্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে বড় চমক আর্সেনাল। দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জয় এবং চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠার সুবাদে গানাররা প্রথমবারের মতো সেরা তিনে উঠে এসেছে। তাদের ব্র্যান্ড মূল্য এখন ১৭৭ কোটি ২০ লাখ ডলার।

তালিকায় চার নম্বরে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ (১৭৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার), যারা গত মৌসুমে ঘরোয়া ট্রেবল জিতেছে। পঞ্চম স্থানে থাকা পিএসজির ব্র্যান্ড মূল্য ১৭৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। তালিকার ছয় থেকে আটে যথাক্রমে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি (১৭০ কোটি ৯০ লাখ ডলার), লিভারপুল (১৬৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (১৬৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার)। চেলসি তাদের নবম স্থান ধরে রেখেছে (১১০ কোটি ১০ লাখ ডলার) এবং দীর্ঘ এক দশক পর শীর্ষ দশে ফিরেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড (৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার)।

ব্র্যান্ড ফাইন্যান্সের তথ্যমতে, বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ ৫০টি ক্লাবের মোট ব্র্যান্ড মূল্য রেকর্ড ২ হাজার ৩৯০ কোটি ইউরোতে পৌঁছেছে। শীর্ষ ১০টি ক্লাবই ফুটবলের মোট ব্র্যান্ড মূল্যের ৬০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ধনী ক্লাবগুলো আরও শক্তিশালী হচ্ছে। এই তালিকায় বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের ব্র্যান্ড মূল্য বেড়েছে ২৮ শতাংশ, এখন ১৫০ কোটি ইউরো।

অর্থাৎ ধনী আরও ধনী হয়েছে, বাকিরা পড়ে আছে অনেকটা দূরে।.এই তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদের পরই দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে বার্সেলোনা (ব্র্যান্ড মূল্য ২২৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার)।

২০২৫-২৬ মৌসুম ছিল সংস্কার শেষে পূর্ণ সক্ষমতায় স্টেডিয়াম ব্যবহারের প্রথম বছর।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিজিটাল যুগে গুজব প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা ও তথ্য যাচাই

টানা তৃতীয়বার বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

মাঠের পারফরম্যান্সে শিরোপার খরা থাকলেও ব্যবসায়িক সাফল্যের দিক থেকে রিয়াল মাদ্রিদ বর্তমানে এক অনন্য উচ্চতায় অবস্থান করছে। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড মূল্যায়ন সংস্থা ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ২০২৬ সালের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল ক্লাব ব্র্যান্ডের মুকুট তাদের দখলেই রইল। ক্লাবটির ব্র্যান্ড মূল্য এক বছরে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৪০ কোটি ইউরো বা ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাণিজ্যিক ফুটবলে রিয়ালের এই আধিপত্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে তাদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের পুনর্নির্মাণ। সংস্কার শেষে পূর্ণ সক্ষমতায় স্টেডিয়ামটি ব্যবহারের প্রথম বছরেই ম্যাচ-ডে টিকিট, আতিথেয়তা, জাদুঘর ভ্রমণ ও পর্যটন থেকে ক্লাবটি ১২০ কোটি ইউরোর রেকর্ড রাজস্ব আয় করেছে। এছাড়া কিলিয়ান এমবাপ্পে, জুড বেলিংহাম ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো মহাতারকাদের উপস্থিতি এবং বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের সমর্থন ক্লাবটিকে বাণিজ্যিক চূড়ায় বসিয়ে রেখেছে।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা এফসি বার্সেলোনার ব্র্যান্ড মূল্য ১৫ শতাংশ বেড়ে ২০০ কোটি ইউরোতে পৌঁছেছে। কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জয় এবং ক্যাম্প ন্যুতে দর্শকদের ফেরা তাদের রাজস্ব বাড়াতে সহায়তা করেছে। এদিকে ২০২৬ সালের র‍্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে বড় চমক আর্সেনাল। দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জয় এবং চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠার সুবাদে গানাররা প্রথমবারের মতো সেরা তিনে উঠে এসেছে। তাদের ব্র্যান্ড মূল্য এখন ১৭৭ কোটি ২০ লাখ ডলার।

তালিকায় চার নম্বরে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ (১৭৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার), যারা গত মৌসুমে ঘরোয়া ট্রেবল জিতেছে। পঞ্চম স্থানে থাকা পিএসজির ব্র্যান্ড মূল্য ১৭৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। তালিকার ছয় থেকে আটে যথাক্রমে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি (১৭০ কোটি ৯০ লাখ ডলার), লিভারপুল (১৬৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (১৬৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার)। চেলসি তাদের নবম স্থান ধরে রেখেছে (১১০ কোটি ১০ লাখ ডলার) এবং দীর্ঘ এক দশক পর শীর্ষ দশে ফিরেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড (৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার)।

ব্র্যান্ড ফাইন্যান্সের তথ্যমতে, বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ ৫০টি ক্লাবের মোট ব্র্যান্ড মূল্য রেকর্ড ২ হাজার ৩৯০ কোটি ইউরোতে পৌঁছেছে। শীর্ষ ১০টি ক্লাবই ফুটবলের মোট ব্র্যান্ড মূল্যের ৬০ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ধনী ক্লাবগুলো আরও শক্তিশালী হচ্ছে। এই তালিকায় বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের ব্র্যান্ড মূল্য বেড়েছে ২৮ শতাংশ, এখন ১৫০ কোটি ইউরো।

অর্থাৎ ধনী আরও ধনী হয়েছে, বাকিরা পড়ে আছে অনেকটা দূরে।.এই তালিকায় রিয়াল মাদ্রিদের পরই দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে বার্সেলোনা (ব্র্যান্ড মূল্য ২২৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার)।

২০২৫-২৬ মৌসুম ছিল সংস্কার শেষে পূর্ণ সক্ষমতায় স্টেডিয়াম ব্যবহারের প্রথম বছর।