লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জর্ডানে মার্কিন সেনা নিহতের পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সিরিজ হামলা

জর্ডানে অতর্কিত হামলায় দুইজন মার্কিন সেনা নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ঘটনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে টানা আট রাত ধরে ইরানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা থেকে এই সামরিক অভিযান শুরু হয়। সেন্টকমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের হুমকি প্রতিহত করা এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাসদস্যদের ওপর হামলার দায়ে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে শাস্তি দেওয়াই এই হামলার মূল লক্ষ্য।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এবং তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, রোববার ভোরের দিকে বন্দর আব্বাস ও কেশম দ্বীপে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কেশম দ্বীপে মার্কিন যুদ্ধবিমান একাধিকবার হামলা চালিয়েছে, যার ফলে দ্বীপটির বিভিন্ন স্থাপনা ও এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসেও বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরনা। তবে এসব হামলায় ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এর ধারাবাহিকতায় মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে, অন্যদিকে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন বিভিন্ন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর

জর্ডানে মার্কিন সেনা নিহতের পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সিরিজ হামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

জর্ডানে অতর্কিত হামলায় দুইজন মার্কিন সেনা নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ঘটনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে টানা আট রাত ধরে ইরানের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক বিমান হামলা চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা থেকে এই সামরিক অভিযান শুরু হয়। সেন্টকমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের হুমকি প্রতিহত করা এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাসদস্যদের ওপর হামলার দায়ে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোকে শাস্তি দেওয়াই এই হামলার মূল লক্ষ্য।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এবং তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, রোববার ভোরের দিকে বন্দর আব্বাস ও কেশম দ্বীপে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কেশম দ্বীপে মার্কিন যুদ্ধবিমান একাধিকবার হামলা চালিয়েছে, যার ফলে দ্বীপটির বিভিন্ন স্থাপনা ও এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসেও বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরনা। তবে এসব হামলায় ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এর ধারাবাহিকতায় মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে, অন্যদিকে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন বিভিন্ন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।