লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের রেকর্ডবুক রাঙিয়ে বিদায় জানালেন লিওনেল মেসি

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ফুটবল ইতিহাসকে বারবার নতুন করে লিখেছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পরও নিজের ছন্দ ধরে রেখেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ৩৯ বছর বয়সে এসে তিনি নিজের অর্জনের খাতাটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ওই আসরে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে নিজের নামকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে ছয়টি আসরে অংশ নেওয়া প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন মেসি। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া, কাতার এবং সর্বশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলেছেন তিনি। পুরুষ ফুটবলে এর আগে কোনো খেলোয়াড় ছয়টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাননি, যদিও ২০২৬ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও এই নজির স্পর্শ করেছেন।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটিও মেসির দখলে। প্রথম পাঁচ আসরে ২৬টি ম্যাচ খেলার পর, ২০২৬ সালের ফাইনাল শেষে তার মোট বিশ্বকাপ ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলেছেন ২৮টি ম্যাচ এবং তৃতীয় স্থানে থাকা জার্মানির লোথার ম্যাথাউস খেলেছেন ২৫টি ম্যাচ। এছাড়া বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও মেসির দখলে, যা তিনি ২০২২ সালেই অর্জন করেছিলেন এবং ২০২৬ সালে তা আরও বাড়িয়ে নিয়েছেন।

গোল ও অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যানেও মেসি অনন্য। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে তার নামের পাশে ছিল ১৩টি গোল। মিরোস্লাভ ক্লোসের ১৬ গোলের রেকর্ড টপকে যাওয়ার পর, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল শেষে মেসির বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১। শুধুমাত্র গোল নয়, গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডও এখন তার দখলে। পাশাপাশি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয় এবং সবচেয়ে বেশি ম্যাচ সেরার পুরস্কার জয়ের রেকর্ডটিও মেসি নিজের করে নিয়েছেন। স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালে জিততে না পারলেও, নিজের পায়ের জাদুতে তিনি বারবার ফুটবলকে সমৃদ্ধ করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবল তার এক নক্ষত্রকে হারাল।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, ৫০ টাকার নিচে মিলছে দুই সবজি

বিশ্বকাপের রেকর্ডবুক রাঙিয়ে বিদায় জানালেন লিওনেল মেসি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩১:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ফুটবল ইতিহাসকে বারবার নতুন করে লিখেছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পরও নিজের ছন্দ ধরে রেখেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ৩৯ বছর বয়সে এসে তিনি নিজের অর্জনের খাতাটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ওই আসরে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে নিজের নামকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে ছয়টি আসরে অংশ নেওয়া প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন মেসি। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া, কাতার এবং সর্বশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলেছেন তিনি। পুরুষ ফুটবলে এর আগে কোনো খেলোয়াড় ছয়টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাননি, যদিও ২০২৬ সালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও এই নজির স্পর্শ করেছেন।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটিও মেসির দখলে। প্রথম পাঁচ আসরে ২৬টি ম্যাচ খেলার পর, ২০২৬ সালের ফাইনাল শেষে তার মোট বিশ্বকাপ ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলেছেন ২৮টি ম্যাচ এবং তৃতীয় স্থানে থাকা জার্মানির লোথার ম্যাথাউস খেলেছেন ২৫টি ম্যাচ। এছাড়া বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও মেসির দখলে, যা তিনি ২০২২ সালেই অর্জন করেছিলেন এবং ২০২৬ সালে তা আরও বাড়িয়ে নিয়েছেন।

গোল ও অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যানেও মেসি অনন্য। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে তার নামের পাশে ছিল ১৩টি গোল। মিরোস্লাভ ক্লোসের ১৬ গোলের রেকর্ড টপকে যাওয়ার পর, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল শেষে মেসির বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১। শুধুমাত্র গোল নয়, গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডও এখন তার দখলে। পাশাপাশি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয় এবং সবচেয়ে বেশি ম্যাচ সেরার পুরস্কার জয়ের রেকর্ডটিও মেসি নিজের করে নিয়েছেন। স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালে জিততে না পারলেও, নিজের পায়ের জাদুতে তিনি বারবার ফুটবলকে সমৃদ্ধ করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবল তার এক নক্ষত্রকে হারাল।