লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪ জেলায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

দেশের চারটি জেলায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় নয়জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার সংশ্লিষ্ট জেলার আদালতগুলো এই রায় ঘোষণা করেন। রায় অনুযায়ী, জামালপুরে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় সাতজন, খাগড়াছড়িতে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একজন এবং নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শরীয়তপুরে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন এবং অপর দুইজনকে খালাস দিয়েছেন।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। একই মামলায় ইদ্রিস আলী নামে অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। বিচারক শায়েলা শারমিন এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এটিই প্রথম রায়, যা ঘটনার মাত্র ১১ মাস ১৪ দিনের মাথায় দেওয়া হলো। রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জন এবং আসামিপক্ষে ৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্ত দেয়। পাবলিক প্রসিকিউটর সৃজনী ত্রিপুরা এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

নোয়াখালীর চাটখিলে শিশু আসমা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় চাচাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলার বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। বিচারক ফারজানা আক্তার সোমবার দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামিকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শরীয়তপুরের জাজিরায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রিমা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চ পূর্বের মৃত্যুদণ্ডের সাজা বাতিল করে রায় দিয়েছেন। আদালত চুন্নু মোড়ল ও নুরু মোড়লকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন এবং স্বপ্না বেগম ও সেলিম চৌকিদারকে খালাস দিয়েছেন। ২০১৯ সালের ৭ মে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এই চারজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ের ২৭ দিনে আড়াই বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয়

৪ জেলায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

দেশের চারটি জেলায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় নয়জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার সংশ্লিষ্ট জেলার আদালতগুলো এই রায় ঘোষণা করেন। রায় অনুযায়ী, জামালপুরে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় সাতজন, খাগড়াছড়িতে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একজন এবং নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শরীয়তপুরে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন এবং অপর দুইজনকে খালাস দিয়েছেন।

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। একই মামলায় ইদ্রিস আলী নামে অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। বিচারক শায়েলা শারমিন এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এটিই প্রথম রায়, যা ঘটনার মাত্র ১১ মাস ১৪ দিনের মাথায় দেওয়া হলো। রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জন এবং আসামিপক্ষে ৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্ত দেয়। পাবলিক প্রসিকিউটর সৃজনী ত্রিপুরা এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

নোয়াখালীর চাটখিলে শিশু আসমা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় চাচাতো ভাই শাহাদাত হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলার বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। বিচারক ফারজানা আক্তার সোমবার দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামিকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শরীয়তপুরের জাজিরায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রিমা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চ পূর্বের মৃত্যুদণ্ডের সাজা বাতিল করে রায় দিয়েছেন। আদালত চুন্নু মোড়ল ও নুরু মোড়লকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন এবং স্বপ্না বেগম ও সেলিম চৌকিদারকে খালাস দিয়েছেন। ২০১৯ সালের ৭ মে শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এই চারজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছিলেন।