লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লংমার্চে কত গাড়ি, মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল থেকে মিলল তথ্য

জনভোগান্তি নিরসন ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে। শনিবার সকাল আটটার দিকে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে এই লংমার্চ যাত্রা শুরু করে। রাত আটটা পর্যন্ত লংমার্চের অংশগ্রহণকারীরা চট্টগ্রাম শহরে পৌঁছাননি। সেখানে পৌঁছানোর পর লালদীঘির ময়দানে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচিটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

লংমার্চের গাড়ির সংখ্যা নিয়ে শুরুতে ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ির কথা বলা হয়েছিল। তবে জ্বালানিসংকট ও মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তীতে তা কমিয়ে এক হাজারে নামিয়ে আনার ঘোষণা দেওয়া হয়। সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মেঘনা ও মেঘনা-গোমতী সেতু দিয়ে ৬০০-এর কিছু বেশি গাড়ি টোল দিয়ে পার হয়েছে।

সওজ সূত্রে জানা যায়, সেতু দুটির জন্য মাইক্রোবাস ও কারের টোল প্রতিটিতে ৭০ টাকা করে নির্ধারিত। বহরে সাড়ে পাঁচ শতাধিক মাইক্রোবাস ছাড়াও জিপ, কার এবং কিছু বাস ছিল। সব মিলিয়ে টোল বাবদ ৪০ হাজার টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। সওজের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, লংমার্চটি নিরবচ্ছিন্নভাবে টোল পরিশোধ করেই সেতু পার হয়েছে।

জোটের সূত্র বলছে, ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করা গাড়ির পাশাপাশি কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আরও গাড়ি পথে পথে লংমার্চে যুক্ত হয়েছে। লংমার্চটি শাপলা চত্বর থেকে যাত্রা শুরু করে নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোডের ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায় প্রথম পথসভা করে। এরপর দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের পাশে দ্বিতীয় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। জোহরের নামাজ ও খাবারের বিরতির পর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, ফেনীর মহিপাল এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়েও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লংমার্চে অংশ নেওয়া শীর্ষ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এবং এবি পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু।

জোটের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের দলীয়করণ বন্ধ করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিচারণ করলেন সহশিল্পী মৌসুমী

লংমার্চে কত গাড়ি, মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল থেকে মিলল তথ্য

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জনভোগান্তি নিরসন ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে। শনিবার সকাল আটটার দিকে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে এই লংমার্চ যাত্রা শুরু করে। রাত আটটা পর্যন্ত লংমার্চের অংশগ্রহণকারীরা চট্টগ্রাম শহরে পৌঁছাননি। সেখানে পৌঁছানোর পর লালদীঘির ময়দানে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচিটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

লংমার্চের গাড়ির সংখ্যা নিয়ে শুরুতে ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ির কথা বলা হয়েছিল। তবে জ্বালানিসংকট ও মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তীতে তা কমিয়ে এক হাজারে নামিয়ে আনার ঘোষণা দেওয়া হয়। সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মেঘনা ও মেঘনা-গোমতী সেতু দিয়ে ৬০০-এর কিছু বেশি গাড়ি টোল দিয়ে পার হয়েছে।

সওজ সূত্রে জানা যায়, সেতু দুটির জন্য মাইক্রোবাস ও কারের টোল প্রতিটিতে ৭০ টাকা করে নির্ধারিত। বহরে সাড়ে পাঁচ শতাধিক মাইক্রোবাস ছাড়াও জিপ, কার এবং কিছু বাস ছিল। সব মিলিয়ে টোল বাবদ ৪০ হাজার টাকার বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। সওজের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, লংমার্চটি নিরবচ্ছিন্নভাবে টোল পরিশোধ করেই সেতু পার হয়েছে।

জোটের সূত্র বলছে, ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করা গাড়ির পাশাপাশি কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আরও গাড়ি পথে পথে লংমার্চে যুক্ত হয়েছে। লংমার্চটি শাপলা চত্বর থেকে যাত্রা শুরু করে নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোডের ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায় প্রথম পথসভা করে। এরপর দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের পাশে দ্বিতীয় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। জোহরের নামাজ ও খাবারের বিরতির পর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, ফেনীর মহিপাল এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়েও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লংমার্চে অংশ নেওয়া শীর্ষ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এবং এবি পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু।

জোটের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের দলীয়করণ বন্ধ করা।