লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিঠামইনে বিএনপির উপজেলা সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৩

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলমকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে মিঠামইন সদর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় জাহাঙ্গীরের সঙ্গে থাকা হাদিস নামে অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই তাদের উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম মারা যান।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এই নৃশংস ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি খুনিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন।

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে। আটকরা হলেন বরগুনার বামনা উপজেলার চালিতাবুনিয়ার মো. সোহেল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দুধরাজপুরের মো. মহিন উদ্দিন (৩২) এবং একই উপজেলার মধ্যপাড়া নাগমুদ বাজার এলাকার মো. শাকিল হোসেন ওরফে শাহীন (২৫)। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, তারা পেশাদার খুনি এবং তাদের ঢাকা থেকে ভাড়া করে আনা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি চাপাতিও জব্দ করা হয়েছে।

বর্তমানে আসামিদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা রয়েছে তা উদ্ঘাটনে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে এবং পুরো এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীতিসুদ ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমাল বাংলাদেশ ব্যাংক

মিঠামইনে বিএনপির উপজেলা সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৩

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৪৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলমকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে মিঠামইন সদর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় জাহাঙ্গীরের সঙ্গে থাকা হাদিস নামে অপর একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই তাদের উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম মারা যান।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এই নৃশংস ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি খুনিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন।

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছে। আটকরা হলেন বরগুনার বামনা উপজেলার চালিতাবুনিয়ার মো. সোহেল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দুধরাজপুরের মো. মহিন উদ্দিন (৩২) এবং একই উপজেলার মধ্যপাড়া নাগমুদ বাজার এলাকার মো. শাকিল হোসেন ওরফে শাহীন (২৫)। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, তারা পেশাদার খুনি এবং তাদের ঢাকা থেকে ভাড়া করে আনা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি চাপাতিও জব্দ করা হয়েছে।

বর্তমানে আসামিদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা রয়েছে তা উদ্ঘাটনে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে এবং পুরো এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।