লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনার ফুটবলের প্রেমে যেভাবে মজেছেন ঢালিউড নায়িকা পূর্ণিমা

ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে যে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি হয়, তা থেকে নিজেকে দূরে রাখেননি ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। বিশ্বকাপের এই আয়োজনে তিনি আর্জেন্টিনার একজন উচ্ছ্বসিত সমর্থক হয়ে উঠেছেন। শৈশবের স্মৃতি, পরিবারের প্রভাব এবং দিয়েগো ম্যারাডোনা থেকে লিওনেল মেসি পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এক ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে পূর্ণিমা জানান, ছোটবেলায় বিশ্বকাপ মানেই ছিল চারপাশের মানুষের ম্যারাডোনাকে নিয়ে তুমুল আলোচনা। বাবার চাকরির সুবাদে তখন তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন। সেই সময়ে আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা না থাকলেও আশপাশের মানুষের উচ্ছ্বাস, বাড়ির দেয়ালে দেয়ালে রং করার প্রতিযোগিতা এবং আকাশি-সাদা পতাকার ছড়াছড়ি তাঁর মনে গভীর আগ্রহ তৈরি করে। মা-বাবাসহ পরিবারের সবাই ম্যারাডোনার সমর্থক হওয়ায় সেই ভালো লাগা আরও বেড়ে যায়। তিনি মনে করেন, ম্যারাডোনা ও মেসির মতো কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের উপস্থিতি আর্জেন্টিনাকে ব্রাজিলের চেয়ে আলাদা করে তোলে।

এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতি পূর্ণিমার এই উচ্ছ্বাসের পেছনে তাঁর স্বামী আশফাকুর রহমানের বড় ভূমিকা রয়েছে। পূর্ণিমা জানান, আগে তিনি খেলা নিয়ে এতটা আবেগপ্রবণ ছিলেন না, কিন্তু স্বামীর উৎসাহে এখন আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে মেতে থাকেন। আশফাকুর রহমান নিয়মিত জার্সি কিনে বন্ধু-স্বজনদের উপহার দেন এবং পরিবারের জন্যও নতুন জার্সি সংগ্রহ করেন। এমনকি যারা আর্জেন্টিনা সমর্থন করেন না, তাঁদেরও জার্সি পরিয়ে খেলা দেখার মতো পরিবেশ তৈরি করেন তিনি। স্বামীর এই মধুর যন্ত্রণায় পূর্ণিমা নিজেও এখন জার্সি পরে খেলা উপভোগ করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৫ মে ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পূর্ণিমার। রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করে প্রথম ছবিতেই নজর কাড়েন তিনি। এরপর ‘হৃদয়ের কথা’, ‘মনের মাঝে তুমি’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। কাজী হায়াত পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ ছবির জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। অভিনয়ে এখন আগের মতো নিয়মিত না হলেও তিনি বিনোদন অঙ্গনেই আছেন। তাঁর অভিনীত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে এবং সর্বশেষ তাকে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ চলচ্চিত্রে দেখা গেছে। বর্তমানে তিনি নিজের পছন্দের গল্প ও চরিত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আঙুলের শব্দে আম্পায়ার বিভ্রান্ত, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে প্রতারণার নজির

আর্জেন্টিনার ফুটবলের প্রেমে যেভাবে মজেছেন ঢালিউড নায়িকা পূর্ণিমা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে যে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি হয়, তা থেকে নিজেকে দূরে রাখেননি ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। বিশ্বকাপের এই আয়োজনে তিনি আর্জেন্টিনার একজন উচ্ছ্বসিত সমর্থক হয়ে উঠেছেন। শৈশবের স্মৃতি, পরিবারের প্রভাব এবং দিয়েগো ম্যারাডোনা থেকে লিওনেল মেসি পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এক ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে পূর্ণিমা জানান, ছোটবেলায় বিশ্বকাপ মানেই ছিল চারপাশের মানুষের ম্যারাডোনাকে নিয়ে তুমুল আলোচনা। বাবার চাকরির সুবাদে তখন তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন। সেই সময়ে আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা না থাকলেও আশপাশের মানুষের উচ্ছ্বাস, বাড়ির দেয়ালে দেয়ালে রং করার প্রতিযোগিতা এবং আকাশি-সাদা পতাকার ছড়াছড়ি তাঁর মনে গভীর আগ্রহ তৈরি করে। মা-বাবাসহ পরিবারের সবাই ম্যারাডোনার সমর্থক হওয়ায় সেই ভালো লাগা আরও বেড়ে যায়। তিনি মনে করেন, ম্যারাডোনা ও মেসির মতো কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের উপস্থিতি আর্জেন্টিনাকে ব্রাজিলের চেয়ে আলাদা করে তোলে।

এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতি পূর্ণিমার এই উচ্ছ্বাসের পেছনে তাঁর স্বামী আশফাকুর রহমানের বড় ভূমিকা রয়েছে। পূর্ণিমা জানান, আগে তিনি খেলা নিয়ে এতটা আবেগপ্রবণ ছিলেন না, কিন্তু স্বামীর উৎসাহে এখন আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে মেতে থাকেন। আশফাকুর রহমান নিয়মিত জার্সি কিনে বন্ধু-স্বজনদের উপহার দেন এবং পরিবারের জন্যও নতুন জার্সি সংগ্রহ করেন। এমনকি যারা আর্জেন্টিনা সমর্থন করেন না, তাঁদেরও জার্সি পরিয়ে খেলা দেখার মতো পরিবেশ তৈরি করেন তিনি। স্বামীর এই মধুর যন্ত্রণায় পূর্ণিমা নিজেও এখন জার্সি পরে খেলা উপভোগ করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৫ মে ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পূর্ণিমার। রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করে প্রথম ছবিতেই নজর কাড়েন তিনি। এরপর ‘হৃদয়ের কথা’, ‘মনের মাঝে তুমি’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। কাজী হায়াত পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ ছবির জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। অভিনয়ে এখন আগের মতো নিয়মিত না হলেও তিনি বিনোদন অঙ্গনেই আছেন। তাঁর অভিনীত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে এবং সর্বশেষ তাকে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ চলচ্চিত্রে দেখা গেছে। বর্তমানে তিনি নিজের পছন্দের গল্প ও চরিত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন।